বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৯ এএম

রংপুরের কমিশনারসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৯ এএম

Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button
রংপুরের কমিশনারসহ  ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে  বদলি

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাব, ডিএমপি, পিবিআই, সিআইডি, এসবি, এপিবিএন পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা পৃথক তিন প্রজ্ঞাপনে এই রদবদল করা হয়। এর মধ্যে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার আব্দুল মাবুদ রয়েছেন।

একটি প্রজ্ঞাপনে পিবিআইয়ের ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরকে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবীরকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়াকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। এপিবিএনের পুলিশ সুপার নাজমুল আলমকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিমকে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে খাগড়াছড়িতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে- এসবির ডিআইজি মু. মাহবুবুর রশীদকে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) করা হয়েছে। ডিএমপির উপকমিশনার আসলাম উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া নোয়াখালী পিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরুল আমীনকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর জারি করা আদেশে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সদর দপ্তরে বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি গত ৫ মে জারি করা আদেশে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীকে নড়াইল পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশও বাতিল করা হয়েছে।

আরেক প্রজ্ঞাপনে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তারা হলেন- এপিবিএনের পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেনকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেনকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আবদুর রহমানকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেনকে সিআইডিতে বদলি করা হয়ছে। এ ছাড়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদকে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, গাজীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এসএম সিরাজুল হুদাকে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামানকে সিআইডিতে, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার এসএম রফিকুল ইসলামকে এপিবিএনে এবং সিলেট এসএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রিয়াজুল কবিরকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রংপুরের পুলিশ কমিশনার বদলি : এদিকে আলোচিত চার খুনের ঘটনার পর রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার আব্দুল মাবুদকে বদলি করা হয়েছে। তার পরিবর্তে পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআইজি মাহবুবুর রশিদকে রংপুরের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়। এর আগে ১২ আগস্ট রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান আব্দুল মাবুদ। এর মাত্র ১৩ দিনের মাথায় আবার তাকে বদলি করা হলো। এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আসলাম উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরুল আমীনকে সংযুক্ত করা হয়েছে খাগড়াছড়িতে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে।

রূপালী বাংলাদেশ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত:আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৮ এএম

রাজশাহীতে এখনো কাটেনি সারের সংকট

ডিলারের দুয়ারে ছুটছেন কৃষকেরা

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত:আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৮ এএম

Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
copy sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
print sharing button

আমনের জমিতে সার দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। অথচ রাজশাহীতে এখনো কাটেনি সারের সংকট। চাহিদামতো সার না পেয়ে এক ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্র থেকে আরেকটিতে ছুটছেন কৃষকেরা। কোথাও দোকান বন্ধ, কোথাও আবার সার নেই। দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেক কৃষক। এতে সময়মতো জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারায় আমনের ফলন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে কৃষকদের হতাশার কথা জানা গেছে।

পবা উপজেলার আলীমগঞ্জ এলাকায় বিসিআইসি সার ডিলার আব্দুল গাফফারের ‘মেসার্স মুনলাইট কৃষি বিতান’ বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, দোকানটি বন্ধ। সার নিতে আসা কৃষকেরা সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। ডিলারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি রাজশাহীর বাইরে অবস্থান করছেন। পরে তার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। ব্যবস্থাপককে ফোন করা হলে তিনি বাজারে থাকার কথা জানান। এভাবে বহু কৃষক সার পেতে বিড়ম্বনায় পড়েন বলে উল্লেখ করেন।

সার নিতে সেখানে এসেছিলেন পবার নতুন কসবা গ্রামের কৃষক গোলাম পাঞ্জাতন। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে তিনি ১১ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। কিন্তু এখনো এক ছটাক সারও জমিতে দিতে পারেননি বলে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

গোলাম পাঞ্জাতন বলেন, ‘তিন দিন ধরে এই বিক্রয়কেন্দ্রে আসছি, কিন্তু সার পাইনি। অধিকাংশ সময় দেখি দোকানই বন্ধ। সার না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি।’

একই ভোগান্তিতে পড়েছেন আলীমগঞ্জ গ্রামের কৃষক বেলাল হোসেন। তিনি সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে মুনলাইট কৃষি বিতানে আসেন। সেখানে সার না পেয়ে পরে গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নের ডিলার নজরুল ইসলামের বিক্রয়কেন্দ্রে ছুটে যান।

সেখানেও সার নিতে এসে অপেক্ষা করছিলেন গোদাগাড়ীর চাপাল গ্রামের কৃষক আতাউল হোসেন। তার চার বিঘা জমিতে এখনো সার দেওয়া হয়নি।

আতাউল হোসেন বলেন, সাধারণত রাজাবাড়ি এলাকার এক ডিলারের কাছ থেকেই সার নেন। এবার সেখানে সার না পাওয়ায় অন্য ডিলারের কাছে এসেছেন। কিন্তু এখানেও সার মিলছে না।

কৃষকদের ভাষ্য, আমনের মৌসুমে সার পাওয়ার জন্য তাদের এক ডিলারের কাছ থেকে আরেক ডিলারের কাছে ছুটতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তেমনি সময়মতো জমিতে সার দিতে না পারায় উৎপাদন নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

এদিকে রাজশাহীতে সারের সংকট ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে গত শনিবার রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে বদলি করা হয়। তার স্থলে শরীয়তপুরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেনকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

সার নিয়ে সংকটের পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার একই দিনে চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার সার জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত শুক্রবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. খালেদুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মিতা সরকার এবং তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ। তবে কমিটি শনিবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু প্রতিবেদনে কী সুপারিশ বা পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অবৈধভাবে মজুতকারী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে সেগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। সংশ্লিষ্ট ডিলারদের জরিমানা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজশাহীতে যাতে সারের সংকট আরও তীব্র না হয়, সে জন্য বাড়তি সার চাওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরবর্তী খবর

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত:আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৬ এএম

স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা করাও রোগ, দূর করবেন যেভাবে

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত:আগস্ট ২৬, ২০২৬, ০২:১৬ এএম

গায়ের কোথাও একটা ফুসকুড়ি উঠেছে, পেটে কিংবা মাথায় হালকা ব্যথা; কিন্তু ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা মনে হলেই যেন অজানা এক আতঙ্কে পা পিছু হটে! লক্ষণগুলো হয়তো আহামরি কিছু নয়, কিন্তু মাথার ভেতরে সারাক্ষণ ঘুরপাক খাচ্ছে শরীরে কোনো বড় রোগ বাসা বাঁধার ভয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হেলথ এনজাইটি’ বা ‘স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ’। লক্ষণ গোপন রাখা বা ডাক্তারের মুখোমুখি না হওয়ার এই প্রবণতা শুধু দুশ্চিন্তাই বাড়ায় না, বরং শরীর ও মন দুটোকেই বিষিয়ে তোলে। এই গোলকধাঁধা থেকে বেরিয়ে আসার মূল চাবিকাঠি হলো অনিশ্চয়তাকে মেনে নিয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া।

অসুস্থতার আতঙ্ক চেপে বসলেই আমাদের প্রথম কাজ হয় ইন্টারনেটে সার্চ করা। সারা রাত স্মার্টফোনে ‘গুগল’ করে নিজের মনের মতো একটা উত্তর খোঁজার চেষ্টা অনেকেরই অভ্যাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাজ উদ্বেগ তো কমায়ই না, বরং না জেনে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের সাগরে ডুব দিয়ে নিজের বিপদ আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই অনলাইনে অযাচিত অনুসন্ধানের ফ্রেমে নিজের শরীর না বেঁধে, মানসিক শান্তি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হলো গুগল সার্চ বন্ধ করা।

নিজের শারীরিক সমস্যাগুলো আড়াল না করে কিংবা জটিলতা না বাড়িয়ে একটি খাতা-কলম নিয়ে বসুন। কখন থেকে সমস্যা শুরু হলো এবং ঠিক কী কী পরিবর্তন চোখে পড়ছে, তা শুধু তথ্য আকারে লিখে ফেলুন। নিজের লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে লিখে ফেললে মাথায় তৈরি হওয়া অচেনা ভয়গুলো একটা বাস্তব কাঠামো পায়। পরে যখন আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যাবেন, এই সংক্ষিপ্ত তালিকা আপনাকে যেকোনো বিভ্রান্তি ছাড়া গুছিয়ে কথা বলতে সাহায্য করবে।

অনেক সময় আমরা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে আগেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি, যাকে মানসিক স্বাস্থ্যের পরিভাষায় বলা হয় ‘ক্যাটাস্ট্রোফাইজিং’। যেকোনো অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হওয়ার মানসিক সাহস অর্জন করা জরুরি। মনকে বোঝাতে হবে যে, পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকের সঠিক পরামর্শ পেলে যেকোনো কিছু কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। প্রয়োজন মনে করলে একজন থেরাপিস্টের সাহায্য নিয়ে মনকে বাস্তবমুখী ভাবনার ফ্রেমে অভ্যস্ত করে তোলা যেতে পারে।

একা একা চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ভয় কাটাতে কোনো বিশ^স্ত বন্ধু বা স্বজনকে সঙ্গে নেওয়া যেতে পারে। এতে যেমন মানসিকভাবে বেশ খানিকটা হালকা হওয়া যায়, তেমনি আপনার অনুপস্থিতিতে বা ঘাবড়ে যাওয়ার মুহূর্তে তিনি ডাক্তারকে সব কথা গুছিয়ে বলতে পারবেন। সবশেষে মনে রাখা দরকার, শরীরে সামান্য ব্যথা বা অস্বস্তি হলেই আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের বাঁচানোর তাগিদে ভয়ের সংকেত পাঠায়Ñ এটি খুবই স্বাভাবিক স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া। সেই ভয়কে সত্যি বলে ধরে না নিয়ে মস্তিষ্কের এই সংকেতকে শুধু ‘একটি চিন্তা’ হিসেবে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। অনর্থক দুশ্চিন্তা বন্ধ করে সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সূত্র : ইয়াহু নিউজ।

Link copied!