জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ
সাহাবুদ্দিনের এক কোটি ৮৭ লাখ টাকার সম্পদ অবরুদ্ধের নির্দেশ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় এক কোটি ৮৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের ২২তম সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নন বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিন রাজধানীর সিদ্ধিকবাজার এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রব। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাতারবাড়ি গ্রামে।
সংশ্লিষ্ট আদালত জানিয়েছে, মামলার অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২তম সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নন। নামের মিল থাকায় বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হলেও আদালত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার নথিতে বলা হয়, দুদকের অনুসন্ধানে অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিনের নামে এক কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর বা অন্য কোনোভাবে বিনষ্ট করার চেষ্টা করতে পারেন। এতে মামলার তদন্ত ও সম্পদসংক্রান্ত প্রমাণ উপস্থাপনে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
এ কারণে মামলার স্বার্থে তার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ ফ্রিজ করার আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় আদেশ দেন।
এমডিএএ/এমএএইচ/
বিজ্ঞাপন
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বাবা-ছেলের কারাদণ্ড
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার দায়ে তার বাবা আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন।
রায়ে আব্দুল্লাহকে চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৮৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৮ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আবুল বশরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতে আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। একইভাবে ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগও তার বাবার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়।
রায় ঘোষণার সময় বাবা-ছেলে দুজনই আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
দুদকের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল আব্দুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সাত কার্যদিবসের মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী জমা দেননি। এমনকি পরবর্তী সময়ে সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।
দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে এক কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৬৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় মাত্র ১০ লাখ টাকা। ফলে এক কোটি ২৩ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উঠে আসে।
এছাড়া আবুল বশরের বিরুদ্ধে ছেলেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।
নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিলের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দিয়ে একটি জমি কেনেন আবুল বশর। মাত্র তিন মাস পর ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ওই জমি বড় ছেলে আব্দুল্লাহকে হেবা করে দেন। দুদকের অভিযোগ, এভাবে বাবা-ছেলে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেন।
আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৭ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বছরের ১০ আগস্ট চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করা হয়।
চলতি বছরের ৩০ জুন বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
এমআরএএইচ/কেএসআর
ধানমন্ডি ৩২-এ হামলা: ইউনূস-হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩ থেকে ৫ হাজার ব্যক্তিকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলার আবেদন করেন তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী। তবে, মামলার আবেদনটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে আদালত এখনো কোনো আদেশ দেননি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরীফ উদ্দিন জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।
মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট কয়েকজন আসামির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত, উসকানি ও সহযোগিতায় বিপুল সংখ্যক ব্যক্তি বেআইনিভাবে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক ভবনে হামলা চালান। এ সময় তারা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি সেখানে থাকা বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন, দলিল, বই-পুস্তক ও মূল্যবান সামগ্রীর ক্ষতি এবং লুটপাট করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, পরে দুটি বুলডোজার, এক্সক্যাভেটর, হ্যামারসহ ভারী যন্ত্রপাতি এনে ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করা হয়। রাতভর চলা সেই কার্যক্রম পরদিন ৬ আগস্ট বিকেল পর্যন্ত চলে এবং ভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে হাসনাত আবদুল্লাহর একটি ফেসবুক পোস্টের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পোস্টের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে মিছিল নিয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরক ব্যবহারের মাধ্যমে ভবনটি ধ্বংস করা হয়।
আবেদনে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও আসামি করা হয়েছে সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, নাহিদ ইসলাম, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, শফিকুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আক্তার হোসেন, সারজিস আলম, আবদুল হান্নান মাসউদ, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব ও সালেহ উদ্দিন সিফাতকে।
এছাড়া, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারওয়ার, কর্নেল (অব.) নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদকেও আসামি করা হয়েছে।
বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন করেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদনও করা হয়েছে।
এমডিএএ/এএমএ
উত্তরায় মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক এমপি হাবিব হাসানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদেশ হবে আজ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়টি আদেশের জন্য রয়েছে।
এ মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মির্জা সালাহউদ্দিনসহ আটজন গ্রেফতার রয়েছেন। পলাতক রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১৮ জন।
এর আগে, ৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষ হয়। প্রসিকিউশন থেকে ২৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানানো হলেও অব্যাহতি চেয়েছিলেন আসামিদের আইনজীবীরা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে সহযোগিতার পাশাপাশি ছাত্র-জনতাকে পানি ও খাদ্য বিতরণ করছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরায় মুগ্ধসহ ১১ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন।
এফএইচ/এএমএ
কারাগারে প্রধান আসামি
মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যা করা হয় পোশাককর্মী মিতুলকে
ঢাকার সূত্রাপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পোশাককর্মী মিতুল ইসলামকে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি রাহিম আহম্মেদ রাফি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি রেকর্ডের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহানুর রহমান বলেন, তিনদিনের রিমান্ড শেষে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাফিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে রাজি হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত মিতুল ইসলাম (১৮) ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৩ তলায় ফয়সাল নামে এক ব্যক্তির তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।
গত ৭ আগস্ট রাত ১১টার দিকে মার্কেটের ভেতরে কয়েকজনকে মাদক সেবন করতে দেখেন মিতুল ও তার সঙ্গীরা। এ সময় তারা এর প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এর জের ধরে শনিবার রাত ৮টার দিকে অভিযুক্তরা মার্কেটে ঢুকে মিতুল ও তার এক সঙ্গীকে বাইরে নিয়ে যান। পরে ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের সামনে মিতুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, প্রধান আসামি রাফি তার হাতে থাকা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে মিতুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয় ও মার্কেটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা রাসেল সরদার পরদিন রোববার রাফিসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে সূত্রাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার পর পুলিশ রাফিসহ এজাহারভুক্ত ১০ আসামিকে গ্রেফতার করে।
অন্য আসামিরা হলেন- মো. সাগর আহাম্মেদ (২৬), মো. রাসেল মিয়া (২৯), মো. আরিফ (১৯), মো. আশরাফুল (২৩), ফারদিন (২১), মো. জুনায়িদ মিয়া (২৬), মো. মোস্তাকিম (২০), মো. রোকন মিয়া (৩১) ও মো. নাজমুল (২৭)।
এর আগে রোববার আদালত প্রধান আসামি রাফিকে তিনদিনের এবং বাকি নয় আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান। দুই দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার ওই নয় আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এবার তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর প্রধান আসামি রাফিকেও কারাগারে পাঠানো হলো।
এমডিএএ/ইএ
সর্বশেষ - আইন-আদালত
- ১ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে: আইনমন্ত্রী
- ২ ইলিয়াস আলী গুম: বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার সাইফুর কারাগারে
- ৩ আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ২৪ সেপ্টেম্বর
- ৪ ইলিয়াস আলী গুম: উইং কমান্ডার সাইফুর ট্রাইব্যুনালে
- ৫ তরুণীকে হত্যার পর মাথা-হাত বিচ্ছিন্ন: নারীসহ ৫ জন রিমান্ডে