নিজ দলের নেতাকে মারধর ও সিট দখলের অভিযোগ জাবিপ্রবি ছাত্রদল আহ্বায়কের বিরুদ্ধে

২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ PM
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদে ও জাবিপ্রবির লোগো

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদে ও জাবিপ্রবির লোগো © সংগৃহীত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে নিজ সংগঠনের নেতাদের মারধর, প্রকাশ্যে হুমকি এবং আবাসিক হলের সিট দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জীবনের নিরাপত্তা ও হলের সিট ফিরে পেতে গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী। ওই দুজনও শাখা ছাত্রদলের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়- বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিজয় ২৪’ হলের ৩০৮ নম্বর কক্ষের বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মো. আমান উল্লাহকে তার কক্ষে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ, সদস্য সাখাওয়াত হোসেন জিকু এবং সিফাত হাসান স্বচ্ছ জোরপূর্বক তার কক্ষে অবস্থান নেন। নিজ দলের নেতাদের বাধায় ওই রাতে বাইরে থাকতে বাধ্য হন আমান। পরদিন সকালে গিয়ে তিনি দেখেন, তার বরাদ্দকৃত সিটটি শাকিল আহমেদ নিজে দখল করেছেন এবং কক্ষটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ। ভেতরে ল্যাপটপসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আটকে থাকায় তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে প্রক্টর বরাবর দেওয়া আরেক অভিযোগে ছাত্রদল নেতা ও সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম ইফতে খায়রুল জানান, গত ২০ আগস্ট কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আন্তঃবিভাগীয় খেলা চলাকালে শাকিল আহমেদ তাকে প্রকাশ্যে মারধর করেন এবং পরে নানাভাবে হুমকি দেন। নিজ দলের শীর্ষ নেতার এমন আচরণে শঙ্কা প্রকাশ করে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইপূর্বক প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন তিনি।

খেলার মাঠের ওই ঘটনা প্রসঙ্গে সমাজকর্ম বিভাগের তৎকালীন টিম ম্যানেজার ও প্রভাষক ইমরুল কবির জানান, মাঠে কে খেলবে তা নিয়ে ছাত্রদের দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির উপক্রম হয়। তারা কারও কথা শুনছিল না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিভাগের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতেই তিনি দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

তবে এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ। তার দাবি, তিনি এসবের কিছুই জানেন না এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। আমানের কক্ষ খোলাই আছে এবং তাকে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমান বলেন- অনলাইনে অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত প্রক্টরিয়াল বডি ও প্রভোস্ট মিলে সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গেও তাদের কথা হয়েছে। এক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অন্য পক্ষ পরে আর আসেনি এবং ফোনও ধরেনি। উপাচার্য বিষয়টি অবগত আছেন এবং রোববারের মধ্যে এর একটি চূড়ান্ত সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে হলের সিট দখলের বিষয়ে জানতে ‘বিজয় ২৪’ হলের প্রভোস্ট ড. মুহাম্মদ ফরহাদ আলীকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

প্রার্থী চক্রবর্তীর মৃত্যু নিশ্চিতে ৪-৫ মিনিটের লড়াই, খুনির…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
পাউরুটি কিনতে গিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
জুলাই যাদুঘরের মেমোরিয়ালে পুষ্পস্তবক অর্পণ রাষ্ট্রীয় আচার…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরে কৃষক দল নেতার কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলি
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
লজ্জার দিনেও বড় সুখবর, ইতিহাসসেরা টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদ…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, পরীক্ষার্থীদের জন্য ৬ …
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
notification icon
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সর্বশেষ নিউজ অ্যালার্ট‌ পেতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন!