প্রিন্ট: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্যের মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুল হকের
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর পরিদর্শন করে সেখানে থাকা মানুষের ভাস্কর্যগুলোর মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।
রোববার (৯ আগস্ট) জাদুঘর পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই নেতা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জাদুঘরে থাকা ভাস্কর্য নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন তিনি।
মামুনুল হক বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছি— সেটি হলো ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় মুসলিম সংস্কৃতি ও মূল্যবোধবিরোধী মানুষের ভাস্কর্য থাকতে পারে না।’
গুগল নিউজে ভোরের কাগজের খবর পড়তে ফলো করুন
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে মনোনয়ন দিলো বিএনপি
তিনি বলেন, ‘সে জায়গা থেকে শাপলা চত্বরের শহীদদের মুখাবয়ব বাদ দিয়ে তাদের স্মৃতি ও ঘটনাকে চিত্রিত করার পরামর্শ দিচ্ছি।’
জুলাই জাদুঘরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও আন্দোলনের স্মৃতি যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি বলেও অভিযোগ করেন মামুনুল হক।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলের অন্যতম বড় আন্দোলন ছিল ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলন। ওই আন্দোলনেরও উল্লেখযোগ্য কোনো স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়নি। অথচ সে সময়ের শহীদ ও আহতরা এখনো জীবন্ত ইতিহাস হয়ে আছেন।
এ ছাড়া সীমান্তে ফেলানী হত্যাকাণ্ড, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে বালুর ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণার পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মৃতি জাদুঘরে স্থান না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
ঢাকা আলিয়ায় ছাত্রদল-শিবিরের বৈঠক, সহাবস্থানে ঐকমত্য
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর ঢাকা আলিয়া মাদরাসা ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিরসনে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে অতীতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরস্পরকে দোষারোপ না করে ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সহাবস্থান নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই সংগঠনের নেতারা।
রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকা আলিয়া মাদরাসা ক্যাম্পাসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে মধ্যস্থতা করেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য মো. হামিদুর রহমান হামিদ এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মধ্যস্থতা করেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন উপকমিশনার (ডিসি), মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস এস এম ফরহাদ এবং ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি ও উত্তেজনা নিরসনের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিস্থিতি এড়াতে করণীয় নিয়েও আলোচনা করেন নেতারা।
আরও পড়ুন: ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তে শিবিরের কড়া প্রতিবাদ
বৈঠক শেষে এস এম ফরহাদ বলেন, অতীতে কী ঘটেছে, তা নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ না করে সামনে কীভাবে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা যায়, সেটিই আলোচনার মূল বিষয় ছিল। ক্যাম্পাসে সবাই যেন সহাবস্থান করতে পারেন এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘাত থেকে সরে আসার বিষয়ে বৈঠকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সাম্প্রতিক ঘটনায় ঢাকা আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও উঠে আসে। ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের বিষয়গুলো প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
সমঝোতা বৈঠক শেষে ঢাকা আলিয়া মাদরাসা শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আব্দুল আলিমের সঙ্গে ছাত্রদলের এক নেতাকে কোলাকুলি করতে দেখা যায়। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা করতালি দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান।
বৈঠকে উপস্থিত নেতারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও তা যেন কোনোভাবেই সংঘাত বা শিক্ষার পরিবেশ নষ্টের কারণ না হয়। পারস্পরিক সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তে শিবিরের কড়া প্রতিবাদ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে দেওয়ার সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি মনে করছে, এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব আবারও ফিরে আসতে পারে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের শিক্ষা খাত নানা সংকটে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষক নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ছাত্রশিবিরের নেতৃদ্বয় বলেন, মেধাভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ। অতীতে স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং জাল সনদের অভিযোগ ছিল। এসব সমস্যা কমাতেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর মাধ্যমে মেধাক্রমের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করা হয়।
আরও পড়ুন : অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র নিল ১১ দলীয় ঐক্য
তাদের দাবি, বর্তমান এনটিআরসিএ পদ্ধতিতেও কিছু কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। দূরবর্তী কর্মস্থলে পদায়ন, বদলি নীতিমালার সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার মতো বিষয়গুলো সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করা উচিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মেধাক্রম অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ, সুনির্দিষ্ট বদলি নীতিমালা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু নিয়োগের মূল ক্ষমতা পুনরায় স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হলে পুরোনো অনিয়মের সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
ছাত্রশিবিরের নেতারা শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিদ্যমান নিয়োগ ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা সংস্কারের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
শিক্ষক নিয়োগ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এনটিআরসিএ ম্যানেজিং কমিটি গভর্নিং বডি শিক্ষা খাত শিক্ষক নিবন্ধন শিক্ষা সংস্কার
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানালেন শফিকুর রহমান
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১০ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিনন্দন জানান।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘তোমাদের এ সাফল্য জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। যারা কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছ, তাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আর যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারোনি, তারা হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাও।’
তিনি আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহ তোমাদের জ্ঞান, মেধা ও প্রতিভাকে দেশ ও মানবতার কল্যাণে কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। তোমাদের উজ্জ্বল ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করছি। আমিন।’
এর আগে সোমবার সকাল ১০টায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
আরও পড়ুন : ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তে শিবিরের কড়া প্রতিবাদ
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
এদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।
সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এসএসসি ফলাফল এসএসসি পরীক্ষা শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামী দাখিল পরীক্ষা শিক্ষা পরীক্ষার ফলাফল বাংলাদেশ শিক্ষা
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
জামিনে মুক্তদের বরণ করতে গিয়ে ধরা খেল আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় জামিনে কারামুক্ত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করতে গিয়ে চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে নোয়াখালী জেলা কারাগারের ফটক থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক ব্যাগ ফুলের মালা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামের মৃত শফি উল্যার ছেলে ছেরাজল হক চৌধুরী (৬৩), একই গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান হৃদয় (২০), মো. বাহারের ছেলে মো. ফারুক হোসেন (১৮) এবং মো. খোকনের ছেলে মো. নাজিম (১৮)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সবাই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুন জুমার নামাজ শেষে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের উদ্যোগে প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ঘটনার জেরে পুরো উপজেলা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।
রোববার তাদের মধ্যে চারজন জামিনে মুক্তি পান। এ খবর পেয়ে দলটির কিছু নেতাকর্মী এক ব্যাগ ফুলের মালা নিয়ে কারাগারের সামনে অবস্থান নেন। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
তবে আটককৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের দাবি- জামিনে মুক্ত পাওয়া ব্যক্তিরা পরস্পর আত্মীয়-স্বজন। তারা স্বজন হিসেবে কারাবরণকারীদের বরণ করতে যান। সেখানে তাদের রাজনৈতিক কোন উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু পুলিশ কোন মামলা ছাড়াই তাদের আটক করে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, স্বজনেরা সাধারণত একটি ফুলের মালা নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু আটক ব্যক্তিরা এক ব্যাগ ফুলের মালা নিয়ে এসেছিলেন এবং তারা মুক্তিপ্রাপ্তদের আত্মীয়-স্বজন নন। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ছবি তুলে শোডাউন করতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র নিল ১১ দলীয় ঐক্য
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১১ দলীয় জোট। সোমবার সকালে জোটটির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নির্বাচনী কর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার বাস্তবায়িত হলে অলি আহমাদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হতে পারতেন। তার মতে, এমন সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া জাতির জন্য দুর্ভাগ্যের বিষয়।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিএনপির দ্বিচারিতা কিংবা সংস্কারের বিষয়ে ইতিবাচক মানসিকতার অভাবের কারণে একজন দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তির সেবা থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ১১ দলীয় জোট কেন প্রার্থী দিয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের কাছে জয়-পরাজয় মূল বিষয় নয়। বরং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সামনে নিয়ে আসাই তাদের উদ্দেশ্য।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বস্তরের প্রশাসন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার কথা। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পদ হওয়ায় এই পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন : রিজভীই কি হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। এ কারণে তারা গণতান্ত্রিক ধারাকে সামনে এগিয়ে নিতে প্রার্থী দিয়েছেন।
বিএনপির সমালোচনা করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিষয়টিও সামনে আসত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না। দলীয় নিয়ন্ত্রণের কারণে তাদের ভোটাধিকার কার্যত সীমিত হয়ে যায়। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদের ভাষ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রকৃত গণতান্ত্রিক প্রতিফলন ঘটত। সেই লক্ষ্যেই অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১১ দলীয় জোট এলডিপি জামায়াতে ইসলামী হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ রাজনীতি
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র নিল ১১ দলীয় ঐক্য
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১১ দলীয় জোট। সোমবার সকালে জোটটির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নির্বাচনী কর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার বাস্তবায়িত হলে অলি আহমাদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হতে পারতেন। তার মতে, এমন সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া জাতির জন্য দুর্ভাগ্যের বিষয়।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিএনপির দ্বিচারিতা কিংবা সংস্কারের বিষয়ে ইতিবাচক মানসিকতার অভাবের কারণে একজন দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তির সেবা থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ১১ দলীয় জোট কেন প্রার্থী দিয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের কাছে জয়-পরাজয় মূল বিষয় নয়। বরং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সামনে নিয়ে আসাই তাদের উদ্দেশ্য।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বস্তরের প্রশাসন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার কথা। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পদ হওয়ায় এই পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুন : রিজভীই কি হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। এ কারণে তারা গণতান্ত্রিক ধারাকে সামনে এগিয়ে নিতে প্রার্থী দিয়েছেন।
বিএনপির সমালোচনা করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিষয়টিও সামনে আসত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না। দলীয় নিয়ন্ত্রণের কারণে তাদের ভোটাধিকার কার্যত সীমিত হয়ে যায়। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদের ভাষ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রকৃত গণতান্ত্রিক প্রতিফলন ঘটত। সেই লক্ষ্যেই অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১১ দলীয় জোট এলডিপি জামায়াতে ইসলামী হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ রাজনীতি