প্রিন্ট: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ইতালিতে বেধড়ক মারধরের শিকার বনি আমিন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিন ইতালির রোমে একদল যুবকের হাতে আক্রমণের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি হামলার একটি ফুটেজ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই প্রবাসী কমিউনিটি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে ইতালির রোমের তরপিনাতারা আবাসিক এলাকার রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে ইতালিতে যান বনি আমিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বনি আমিনকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আক্রমণাত্মক আচরণ করছেন। বনি আমিন নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে। পরবর্তীতে সড়কের পাশে দাঁড় করানো একটি গাড়ির সামনে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে বেধড়ক শারীরিক লাঞ্ছনা করা হয়।
গুগল নিউজে ভোরের কাগজের খবর পড়তে ফলো করুন
ভিডিওর অডিওতে হামলাকারীদের তীব্র গালাগাল ও চিৎকার করতে শোনা যায়, যা স্পষ্টত বাংলাদেশি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিল। আক্রমণ চালানোর সময় তারা বনি আমিনকে উদ্দেশ্য করে বারবার ‘মৌলবাদী’ আখ্যা দিচ্ছিল এবং একে অপরকে হামলায় উসকে দিচ্ছিল।
হামলার প্রকৃত কারণ কিংবা জড়িতদের সঠিক পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। তবে নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনাটি ইতালির রোম শহরে ঘটেছে এবং ওই মুহূর্তে বনি আমিন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন।
নোয়াখালীর হাতিয়া দ্বীপে জন্ম নেওয়া বনি আমিন বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। তিনি বিশ্বজুড়ে ঘুরে ঘুরে কন্টেন্ট তৈরি করেন এবং তা নিজ পেজে প্রকাশ করে বেশ জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন। ভ্রমণকাহিনীর পাশাপাশি সমসাময়িক নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতেও তিনি খোলামেলা মতামত ব্যক্ত করে থাকেন।
বিদেশের মাটিতে একজন প্রখ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ওপর এমন চরম শারীরিক সহিংসতার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ঘটনাটিকে লজ্জাজনক উল্লেখ করে এতে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন প্রবাসীরা।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
প্রধানমন্ত্রী-বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের কর্মজীবনের সাফল্য এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করতে অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিপরীতে, দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিদায়ী নৌপ্রধান। সাক্ষাৎ শেষে বিদায়ী নৌপ্রধানের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৮৬ সালে কমিশনপ্রাপ্ত অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টাফ, ইনস্ট্রাকশনাল ও কমান্ড পদে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া তিনি নৌ সদর দপ্তরে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশনস), সহকারী নৌপ্রধান (পার্সোনেল), নৌ অপারেশনস ও নৌ গোয়েন্দা পরিচালক এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অসামরিক-সামরিক সংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধজাহাজ ‘বানৌজা ওমর ফারুক’সহ চারটি যুদ্ধজাহাজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সরকার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব ধীরে ধীরে বেসরকারি খাতের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাঁর মতে, এতে জবাবদিহিতা বাড়বে, বিল আদায় আরও কার্যকর হবে এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নত হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও আর্থিকভাবে কার্যকর করতে বিতরণ কোম্পানিগুলোকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় আনার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সম্মতিও পাওয়া গেছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সরকারের ভূমিকা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পাইকারি সরবরাহ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে, তবে গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণের কাজ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হলে তা আরো কার্যকর হতে পারে। তিনি উদাহরণ হিসেবে ভারতের মুম্বাই ও দিল্লির বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোক্তারাও এ ধরনের দায়িত্ব পালনে সক্ষম।
তিনি আরো বলেন, সরকার খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। বেসরকারি খাত যুক্ত হলে জবাবদিহিতা বাড়বে এবং বিল আদায় নিশ্চিত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সবসময় কেন সরকারকেই পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে হবে। তাঁর মতে, বেসরকারি খাতকে এ সুযোগ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে এবং সরকারের ওপর চাপও কমবে।
বিতরণ ব্যবস্থার সম্ভাব্য বেসরকারিকরণের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে ক্লাস্টারভিত্তিক বা গুচ্ছভিত্তিক রুফটপ সোলার ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যবস্থায় বিনিয়োগকারীরা নিজেরাই সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন এবং ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকদের কাছ থেকে বিনিয়োগের অর্থ আদায় করবেন।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ। তিনি বলেছেন, মহাসড়কে যানবাহন থেকে হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করতে দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে পারব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’ বুধবার (২২ জুলাই) বাসস এ সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ফারুক আহমেদ বলেন, নির্ধারিত সময়ের পর মহাসড়কে যানবাহন থেকে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের অর্থ আদায়ের অভিযোগ আর থাকবে না।
তিনি জানান, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় অপরাধ ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
ফারুক আহমেদ বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন সিসিটিভি কভারেজের মধ্যে রয়েছে। এ রুটের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা বসানো হয়েছে। একই ধরনের নজরদারি ব্যবস্থা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কেও কার্যকর করা হয়েছে। ফলে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পরিস্থিতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের এআই ক্যামেরাগুলো সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় স্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থাপনা আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালনার জন্য শিগগিরই হাইওয়ে পুলিশ ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই নজরদারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের মতে, আধুনিক এই প্রযুক্তি মহাসড়কে ডাকাতি, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং যানজট নিরসনেও এটি কার্যকর হবে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এআইভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা এখন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য মহাসড়কেও একই প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে।
ফারুক আহমেদ বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করাই হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জনআস্থা বাড়াতে এবং মহাসড়কের নিরাপত্তা জোরদার করতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমও আরও শক্তিশালী করা হবে।
বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশ দেশের ৭৩টি থানার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে সেবার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১১ জুন প্রতিষ্ঠিত হাইওয়ে পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। জনবল ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সংস্থাটি বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার ৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, সড়ক দুর্ঘটনা তদন্ত, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করছে।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের বার্তা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রল, ২০ দিনের জেট ফুয়েল এবং ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েলের মজুত রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকটের পরিবেশ তৈরি করার উদ্দেশ্যে কিছু গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে দেশে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী আগস্ট মাসে আরও ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি হবে। ফলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে কোনো শঙ্কার অবকাশ নেই।
প্রাকৃতিক গ্যাসের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে বর্তমানে প্রতিদিন ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে। এই ঘাটতি দীর্ঘদিনের হলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে কার্যক্রম জোরদার করেছে।
সিএনজি স্টেশনগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে তিনি জানান, একটি এলএনজি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ)-এ আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। ইতোমধ্যে কারিগরি দল মেরামতের কাজ করছে এবং আশা করা হচ্ছে আগামী দুই দিনের মধ্যেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। তখন সিএনজি স্টেশনগুলোতে তৈরি হওয়া চাপও কমে আসবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি আমদানির বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত খনিজ তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানি করে। হরমুজ প্রণালিতে জটিলতা দেখা দেওয়ার পর থেকে লোহিত সাগর রুট ব্যবহার করে সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে লোহিত সাগরের পথও বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প রুট ব্যবহার করার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
৮ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের আটটি অঞ্চলে রাতের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রাত ১টার মধ্যে ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় ও বাংলাদেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এছাড়া আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন
মন্তব্য করুন
৮ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দেশের আটটি অঞ্চলে রাতের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রাত ১টার মধ্যে ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় ও বাংলাদেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এছাড়া আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।