দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: digital@desh.tv
চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটনের জন্ম দিয়েছিল নরওয়ে। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় করে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে দলটি।
সেই জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নিয়ল্যান্ড। তবে ব্রাজিলকে হারানোর পরও দেশটির তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিয়ল্যান্ড লিখেছেন, “আমি কখনোই সেই ম্যাচটি ভুলব না। ব্রাজিল ছিল আমাদের বিপক্ষে খেলা অন্যতম সেরা দল। নেইমার এখনও আমার কাছে একজন কিংবদন্তি। আশা করি, তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন।”
তবে ঠিক কোন ঘটনার জন্য তিনি ক্ষমা চেয়েছেন, তা উল্লেখ করেননি নিয়ল্যান্ড। এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, ম্যাচের কোনো মুহূর্তের প্রতিক্রিয়াতেই এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলকে বিদায় দেওয়া নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন। তবু জয়ের উচ্ছ্বাসে ভেসে না গিয়ে নেইমারকে কিংবদন্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
নিয়ল্যান্ডের এই বার্তা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নেইমার ও ব্রাজিলের সমর্থকদের পাশাপাশি ফুটবল অঙ্গনেও তার বিনয়ী মনোভাবের প্রশংসা করা হচ্ছে।
এমএস/
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালের কথা স্মরণ করেছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই কীর্তি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এবারও একই সাফল্যের আশা করছেন তিনি।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ম্যাক অ্যালিস্টার বলেন, “আশা করি আমরা একই রকম কিছু করতে পারব।”
আগামীকাল আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের আগে ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক জয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার বলেন, “ডিয়েগো যা করেছিল, তা থেকে অনুপ্রাণিত না হওয়া কঠিন। মাঠে তিনি যা করেছিলেন, সেটা সম্ভবত শুধু লিও (মেসি) করতে পারে।”
ফকল্যান্ড যুদ্ধের চার বছর পর অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনার জোড়া গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। পরে কার্লোস বিলার্দোর দল বিশ্বকাপও জিতে নেয়।
ম্যাক অ্যালিস্টার বলেন, “১৯৮৬ সালের ভিডিওগুলো এখন আবার ছড়িয়ে পড়ছে। এটা অবশ্যই আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। দেশের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতীক। আশা করি তারা যা অর্জন করেছিল, আমরাও তেমন কিছু করতে পারব।”
ইংল্যান্ডকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তাদের দলে অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে, যারা বড় বড় ম্যাচ খেলেছে। তবে আমাদেরও নিজেদের পরিকল্পনা পরিষ্কার। আমরা আমাদের খেলার ধরন বদলাচ্ছি না। আশা করি ভালো একটি ম্যাচ হবে।
এমএস/
স্পেনের বিপক্ষে আগের দুই পরাজয় থেকে বিশেষ কোনো শিক্ষা নেওয়ার নেই বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ে দেশম। তার মতে, অতীতের ফল নয়, মঙ্গলবারের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালই এখন একমাত্র লক্ষ্য।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, ‘ওই ম্যাচগুলো থেকে বিশেষ কোনো শিক্ষা নেই। তখন দুই দলের যেসব খেলোয়াড় মাঠে ছিল, সেটাই ছিল সেই সময়ের বাস্তবতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন খেলোয়াড়রা ভিন্ন, তাদের বর্তমান ফর্মও আগের মতো নয়। স্পেন ওই দুটি ম্যাচ জিতেছে, এজন্য তাদের অভিনন্দন।’
২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে বিদায় নেয় ফ্রান্স। এরপর ২০২৫ সালের নেশনস লিগের শেষ চারের লড়াইয়েও ফরাসিদের হারায় স্পেন। তবে দেশম মনে করেন, সেই ফলাফল আসন্ন বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
/অ
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে টিকিটের বাজারেও। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ম্যাচটির টিকিটের দাম সাধারণ দর্শকদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের প্রতিটি লড়াই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এবার সেই উত্তেজনার সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেকটি আবেগঘন সমীকরণ। অনেকের ধারণা, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটিই হতে পারে লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ বড় লড়াই। আর্জেন্টিনা হেরে গেলে তাদের সামনে থাকবে শুধু তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।
ফিফার আনুষ্ঠানিক পুনর্বিক্রয় (রিসেল) প্ল্যাটফর্মে ম্যাচটির সবচেয়ে কম দামের ‘ক্যাটাগরি–৩’ টিকিট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ ডলারের বেশি দামে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ টাকার সমান। প্ল্যাটফর্মটিতে চাহিদার কারণে প্রতি মিনিটেই টিকিটের দাম পরিবর্তিত হচ্ছে। আর সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।
অথচ কোয়ার্টার ফাইনালে কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ড ম্যাচের টিকিট ছিল এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম দামের মধ্যে। ওই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য ছিল ৮০০ ডলার।
অন্যদিকে ডালাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফ্রান্স–স্পেন সেমিফাইনালের টিকিটের দাম তুলনামূলক কম। ফিফার ওয়েবসাইটে ম্যাচটির সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ১ হাজার ৩০০ ডলার। তবে সমর্থকদের মধ্যে ব্যক্তিগত লেনদেনের প্ল্যাটফর্মে কিছুটা কম দামে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে ফিফার অতিরিক্ত ৩০ শতাংশ কমিশন দিতে হয় না।
বিশ্বকাপে টিকিটের কালোবাজারি নতুন ঘটনা না হলেও এবার প্রথমবারের মতো 'বৈধ পুনর্বিক্রয়' ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর সুযোগ নিয়ে দেশটির বিভিন্ন পেশাদার ক্রীড়া লিগের আদলে এই ব্যবস্থা চালু করেছে সংস্থাটি। এতে টিকিট পুনর্বিক্রয় থেকেও ফিফার আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এই খাত থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল, যা কাতার বিশ্বকাপ ২০২২-এর তুলনায় তিন গুণেরও বেশি।
যে আই
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের ১৯তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তবে তার কাছে জন্মদিনের সবচেয়ে বড় উপহার হবে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ইয়ামাল বলেন, ‘এখনো খুব বেশি উপহার পাইনি। সবচেয়ে বড় উপহার হবে মঙ্গলবার জয় পাওয়া এবং নিউইয়র্কে ফাইনাল খেলতে যাওয়া।’
বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের জয়ের পর ইয়ামাল বলেছিলেন, স্পেন নয়, বরং ফ্রান্সেরই ভয় পাওয়া উচিত। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি জানান, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই কি না। আমি বলেছি, না। আমরা ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন। এটি শুধু ফুটবল।’
জন্মদিন উপলক্ষে নিজের জন্য মূল্যবান রত্নখচিত একটি মোটা গলার হার কিনেছেন বলেও জানান বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।
চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একবার গোল করেছেন ইয়ামাল। তবে ফ্রান্সের বিপক্ষেও গোল করার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি গোল নিয়েই ভাবি না। তবে এমন ম্যাচে গোল করা সবসময়ই বিশেষ কিছু। আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছি। এ কারণেই এখানে এসেছি।’
সেমিফাইনালকে দর্শকদের জন্য ‘দারুণ একটি ম্যাচ’ আখ্যা দিয়ে ইয়ামাল বলেন, ‘এই ম্যাচের জন্যই সবাই অপেক্ষা করছিল।’
বড় ম্যাচের চাপ নিয়েও নির্ভার স্পেনের এই তরুণ তারকা।
তার ভাষায়, ‘জীবনে ফুটবল ম্যাচের চেয়েও কঠিন অনেক পরিস্থিতি আছে। তাই আমি শান্ত আছি। অতিরিক্ত কোনো চাপ অনুভব করছি না। সব সময়ের মতোই মাঠে নেমে দলের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’
এদিকে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল ফ্রান্সের বিপক্ষে নিজেদের খেলার ধরনই ধরে রাখতে চান তারা।
তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরেই একে অপরকে চিনি। তাদের দলে যেমন অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, আমাদের দলেও আছে। নিজেদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের শক্তির মোকাবিলা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাই এবং নিজেদের ফুটবল খেলতে চাই।’
তবে ফ্রান্সকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী দল বলেও মনে করেন স্পেনের কোচ।
দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘তারা এখন অনেক ভালো দল। গত দুই বছরে তাদের খেলোয়াড়রা আরও পরিণত হয়েছে এবং আগের চেয়ে ভালো ফুটবল খেলছে।’
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আরলিংটনে অনুষ্ঠিত হবে স্পেন ও ফ্রান্সের বহুল প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল।
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে বলের দখল ছেড়ে দিয়ে খেলবে না ফ্রান্স। ম্যাচের আগে এমনটাই জানিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম। একই সঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেছেন, অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে পুরোপুরি খেলতে প্রস্তুত আছেন।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, ‘স্পেন প্রচুর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু আমরাও এমন একটি দল, যারা বলের দখল রাখতে চায়। ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই হবে।’
বল দখলে রেখে খেলার ধরন, প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে চাপে রাখা এবং ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেই শেষ চারে পৌঁছেছে স্পেন। তবে ফ্রান্স কেবল রক্ষণ সামলে পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় থাকবে—এমন ধারণা নাকচ করে দেন দেশম।
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ওয়ারেন জায়ের-এমেরি বলেন, ‘স্পেন বলের দখলে দারুণ একটি দল। আমাদের দ্রুত পাল্টা আক্রমণ করার, নিজেরাও বলের দখল ধরে রাখার এবং ভালোভাবে রক্ষণ সামলানোর সামর্থ্য রয়েছে। ম্যাচের পরিস্থিতিই ঠিক করে দেবে খেলা কোন দিকে যাবে।’
ফ্রান্সের জন্য আরও স্বস্তির খবর, মাঝমাঠের খেলোয়াড় অরেলিয়েন চুয়ামেনি দলে ফিরতে প্রস্তুত। উরুর পেছনের পেশিতে চোটের কারণে তিনি শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে পারেননি। দেশম জানান, তিনি এখনো পুরোপুরি সেরে না উঠলেও দলে ফেরার জন্য প্রস্তুত।
দেশম বলেন, ‘গত ম্যাচে তাকে খেলানোর ঝুঁকি বেশি ছিল। এখন সে ভালো আছে, যদিও শতভাগ সুস্থ বলা যাবে না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সে এখন খেলার জন্য প্রস্তুত।’
অন্যদিকে মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে গোড়ালিতে সামান্য চোট পাওয়ায় সোমবারের শেষ অনুশীলনের পুরোটা করেননি এমবাপ্পে। তবে এতে তার সেমিফাইনালে খেলা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।
দেশম বলেন, ‘কিলিয়ান ভালো আছে।’ অনুশীলন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘হ্যাঁ, সে অনুশীলন করেছে। একটি অনুশীলনে ১৫ মিনিটের বদলে তাকে ১০ মিনিট অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
মরক্কোর বিপক্ষে জয় এনে দেওয়া মাঝমাঠের সমন্বয়ও ধরে রাখতে পারেন দেশম। মানু কোনো ও আদ্রিয়ান রাবিওর সঙ্গে জায়ের-এমেরিও বিকল্প হিসেবে রয়েছেন।
স্পেনের বল দখলে রাখার কৌশল ভাঙতে নিজেদেরও বলের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে বলে মনে করেন ফ্রান্সের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় জুল কুন্দে।
সাম্প্রতিক দুই দেখায় স্পেনের কাছে হেরেছে ফ্রান্স। ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল এবং ২০২৫ সালের নেশনস লিগের শেষ চারের লড়াই—দুইবারই জয় পেয়েছিল স্পেন। তবে সেই ফল নিয়ে ভাবতে রাজি নন দেশম।
তিনি বলেন, ‘সেই ম্যাচগুলো থেকে আলাদা কোনো শিক্ষা নেই। তখন দুই দলের খেলোয়াড়দের অবস্থা এক রকম ছিল, এখন ভিন্ন। স্পেন ওই দুই ম্যাচ জিতেছে, তাদের অভিনন্দন। কিন্তু আমার আগ্রহ আগামীকালের ম্যাচে।’
টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে মাঠে নামবে ফ্রান্স। দেশমের মতে, বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।
তিনি বলেন, ‘একজন কোচ হিসেবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো মানিয়ে নেওয়া। ফুটবল নির্ভুল কোনো বিজ্ঞান নয়। তবে প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা, ক্ষুদ্রতম বিষয় পর্যন্ত, সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ।’
চলতি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের আক্রমণের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে। তবে সেমিফাইনালে স্পেনের বল দখলের ফুটবল ঠেকিয়ে আক্রমণভাগকে কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারলে তবেই ফ্রান্সের পথ সহজ হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
/অ