সম্পূর্ণ নিউজ সময়
০ টা ০ মিনিট, ২৯ জুন ২০২৩

বাংলাদেশ নিয়ে নাক গলাতে পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের পেছনে অর্থ ঢালছে বিএনপি-জামায়াত

তারেক রহমান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টির (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। গত দুই দশক ধরে রাজনীতির চেয়ে দুর্নীতি ও অন্যান্য নানা অপকর্মের কারণে কুখ্যাতি কুড়িয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ নিয়ে নাক গলাতে পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের পেছনে অর্থ ঢালছে বিএনপি-জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৭ মিনিটে পড়ুন

সরকারে থাকাকালে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি টাকার ঘুষ ও দুর্নীতিতে বারবার তার ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের নাম উঠে এসেছে। সীমাহীন লুটপাটের পাশাপাশি তারেক রহমানকে সহিংস রাজনীতির প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়ে থাকে।

 
তারেক বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন সরকারের উৎখাতে নানা ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
 

বিএনপি-জামায়াতের লবি ফার্ম নিয়োগ

 

সম্প্রতি এমন বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত ও প্রতিবেদনে সামনে এসেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে লবি ফার্ম ভাড়া করেছে বিএনপি।
 
শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অসংখ্য রাজনীতিবিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে তুলেছে বিএনপি ও তার আদর্শিক মিত্র কট্টর ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামী। পশ্চিমা এসব আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে রাজনৈতিক প্রভাব ও অনুগ্রহের বিনিময়ে কাড়ি কাড়ি অর্থ ঢালছে দল দুটি।
 
সম্প্রতি একাধিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিএনপি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনকে লবিস্ট হিসেবে নিযুক্ত করেছে। মূলত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষ সরকারকে উৎখাত করে সেই জায়গায় বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে বাইডেন প্রশাসনের ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাকে। আর পুরো ব্যাপারটা পরিচালনায় রয়েছে তারেক রহমান।
 
প্রতিবেদন মতে, ব্লু স্টার স্ট্রাটেজিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রভাবশালী লবি ফার্ম। এই লবি ফার্মকে বিএনপি এবার ভাড়া করেছে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য। এসব নিয়োগের জন্য কোটি কোটি ডলার খরচ করতে হয়। আর এই টাকার উৎস কি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
 
 
প্রতিবেদন মতে, জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন এখন ব্লু স্টার লবিং ফার্মের পক্ষে কাজ করবেন। হান্টার বাইডেন কেবল বাইডেনের পুত্রই নয়, মার্কিন রাজনীতিতে তিনি অনেক প্রভাবশালী একজন লবিস্ট হিসেবে পরিচিত।
 
যুক্তরাষ্ট্রের যে লবিস্টদের সবচেয়ে উচ্চমূল্য, তার মধ্যে হান্টার বাইডেন অন্যতম। আর তার নিয়োগের মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে আরও বেশি প্ররোচিত করার কাজ সহজ হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।
 
যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির এই লবিস্ট ফার্ম গত কয়েক বছর ধরে কাজ করছে। লবিস্ট ফার্মগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকদের কাছে, বিশেষ করে হোয়াইট হাউস, সিনেট ও কংগ্রেসের প্রভাবশালী সদস্যদের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
 
বাংলাদেশবিরোধী এই অপপ্রচারগুলোকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উত্থাপনের জন্য লবিস্ট ফার্মগুলো নানা রকম তথ্য-উপাত্ত বিকৃত করে উপস্থাপন করে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা ও হোয়াইট হাউসের নীতি নির্ধারকরা প্রভাবিত হন এবং তারা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
 
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে বিএনপি নিয়োগকৃত এই সব লবিস্ট ফার্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বিএনপির কৌশলগত অবস্থান হলো- যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করা যায়, তাহলে সরকার চাপে পড়বে এবং বিএনপির সভা-সমাবেশে বাধা দেয়ার কাজটা সহজ হবে না। বিএনপির সেই চেষ্টা সফল হয়েছে।
 
 
কোটি কোটি ডলার খরচ করে র‌্যাবের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। এখন দ্বিতীয় ধাপে এই লবিস্ট ফার্মগুলোকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে- আগামী নির্বাচন যেন নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়- এ ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একটা অবস্থান নেয়ার জন্য।
 
এ নিয়ে বর্তমানে অন্তত চারটি লবিস্ট ফার্ম কাজ করছে। সর্বশেষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এই মুহূর্তে অন্যতম প্রভাবশালী লবিস্ট ফার্ম ব্লু স্টার স্ট্র্যাটেজিক। আর ব্লু স্টার স্ট্র্যাটেজিকের পক্ষে যদি হান্টার বাইডেন লবিং করেন, তাহলে এটি মার্কিন প্রভাবশালী মহলে ভালো প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
 
আর এমনটি আশা করেই বিএনপি নেতারা তাদের পেছনে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালছেন। এরই মধ্যে মার্কিন কর্মকর্তারা বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে নানা রকম কথাবার্তা বলেছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক যেন হয়- সেটি নিশ্চিত করার জন্য সতর্কবাণী দিয়েছেন।
 
পাশাপাশি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ভিসা নীতিও ঘোষণা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলার খরচ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বাংলাদেশের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে বিএনপি ও তার মিত্র জামায়াতে ইসলামী।
 

তারেকের সীমাহীন দুর্নীতি ও অপকর্ম

 

২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার দেশ শাসন করে বিএনপি। এ সময় মা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকলেও ছেলে তারেক রহমানই কার্যত ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন। দলের রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে বনানীর হাওয়া ভবনে বসে সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন তিনি।
 
এ সময় তার বিরুদ্ধে লাগামহীন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ সামনে আসে। তার সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট কল্পকথাকেও হার মানায়। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ‘দুর্নীতির রাজপুত্র’ বা বরপুত্র উপাধি পান তিনি।
 
তার এসব অপকর্মের কথা শুধু দেশে নয়, সারাবিশ্বে অনেকেরই জানা। এখন প্রায় এক যুগ আগে (২০১১ সালে) গোপন তথ্য ফাঁসের জন্য বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো বিকল্প গণমাধ্যম উইকিলিকসের একটি তথ্য বাংলাদেশের রাজনীতিতেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
 
যেখানে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস থেকে দেশটির পররাষ্ট্র দফতরে পাঠানো একটি গোপন প্রতিবেদনে তারেক রহমানের বিষয়ে মার্কিন সরকারকে সতর্ক করে দেয়া হয়। এর ফলশ্রুতিতে সে সময় মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হন তারেক। আর কারণে পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান তিনি।
 
উইকিলিকস প্রকাশিত প্রতিবেদন মতে, ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর গোপন নথিটি মার্কিন পররাষ্ট্র দফরে পাঠান ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি।
 
গোপন নথিটির চৌম্বক অংশ আলোচনা করলে দেখা যায়, দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে কুখ্যাত দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, অর্থলিপ্সু, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ইত্যাদি অসংখ্য অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। সেই সাথে, এ ধরনের একজন অপরাধীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা আশ্রয় গ্রহণ যে তাদের সাংবিধানিক ঘোষণার পরিপন্থি সেটি স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। 
 
 
ওই নথিতে আরও বলা হয়, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি মামলা হতে থাকে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও তারেক রহমান মামলাগুলোতে জামিন পেতে থাকে। আর এটা সম্ভব হয়েছিল বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে বিচার বিভাগকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনার কারণে।
 
সেই সুযোগে চিকিৎসা করানোর উছিলায় তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারর কাছে এই মর্মে মুচলেকা দিয়েছিলেন তিনি আর কখনও রাজনীতি করবেন না।
 
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করলে উল্লিখিত কারণে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এক্ষেত্রে দূতাবাস অবশ্য দয়াপরবশ হয়ে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা থেকে তার স্ত্রী এবং কন্যাকে অব্যাহতি দিতে সুপারিশ করে।
 
সে সময়ের বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে দুর্নীতি করে হাজার হাজার কোটি টাকা কোন কোন খাত থেকে এবং ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে তারও একটা বিবরণ রয়েছে সে প্রতিবেদনে। 
 
কেবল স্থানীয় কোম্পানিগুলোর কাছ থেকেই চাঁদা আদায় হত না, সিমেন্স, হারবিনের মতো বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকেও ব্যবসা করতে দেয়ার বিনিময়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সেসময়ে দেশের একাধিক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা থেকে আসামিদের মুক্ত করার বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের চাঁদা আদায়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
 
 
সেই সাথে প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশের বছরের পর বছর দুর্নীতিতে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাদান ইত্যাদি নানা কারণে সে সময় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি প্রতিবছর শতকরা ২ শতাংশ হারে কমতে থাকে বলে উল্লেখ করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক পাসপোর্ট রাখাসহ মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের বিষয়টিও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।
 
তারেক রহমানের এসব দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড মার্কিন স্বার্থের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছিল। শুধু তাই নয়, তার কর্মকাণ্ড সরকারের প্রতি জনগণের আস্থাকে দুর্বল করেছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে।
 
আইনের শাসন লঙ্ঘনে তারেক রহমানের একটা কুখ্যাতি ছিল। যা বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থা সংস্কার, সুশাসন শক্তিশালীকরণ ও বিচার বিভাগের অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তার বিষয়টিকেও হুমকির মুখে ফেলে।
 
বাংলাদেশে তারেক রহমানের ঘুষ, আত্মসাৎ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি তৈরি ও বজায় রাখার চেষ্টা মার্কিন ব্যবসা অপূরণীয় ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশও অনেক সুযোগ হারিয়েছে। জনগণের কোটি কোটি ডলার চুরি মধ্যপন্থি ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার গড়ে তোলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে বিপর্যস্ত করেছে।

 

বিএনপি’র ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড

 

শুধু লাগামহীন অনিয়ম ও দুর্নীতিই নয়, ভয়াবহ সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও বিএনপির সম্পৃক্ততা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৪ সালে সাবেক বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর গ্রেনেড হামলা যার প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত।
 
ওই হামলায় মুহূর্তে আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী প্রাণ হারান। আহত হন অসংখ্য নেতাকর্মী। বিএনপির অন্যান্য নেতা ও সাবেক শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকের্তাদের পাশাপাশি এ ঘটনায় তারেক রহমানও দোষী প্রমাণিত হয়েছেন এবং এজন্য তাদের সাজাও হয়েছে। এমনকি তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
 
শুধু দেশেই নয়, আন্ত-সীমান্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ও সহায়তাতেও তারেক রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ২০০৪ সালের এপ্রিলে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়েছিল, তার পেছনে প্রথমেই উঠে আসে তারেকের নাম।
 
 
ভারতের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক উপমহাপরিচালক মেজর জেনারেল গগনজিৎ সিং ১০ ট্রাক অস্ত্র চালানের ঘটনায় তারেককে মাস্টারমাইন্ড বলে অভিহিত করেছেন।
 
হাজার হাজার অস্ত্রের সেই চালানটি ভারতের উত্তরপূর্বের রাজ্যের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে যাওয়ার কথা ছিল। যে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে সবরকমের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিয়ে আসছিল সেই সময় ক্ষমতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াত জোট।
 
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, ফিনান্সিয়াল টাইমস ও অর্গানাইজারডটওআরজি। 
 

আরও সময় সংবাদ