জল্লাদ শাহজাহান মারা গেছেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৬ আসামিসহ ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া মারা গেছেন।
সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহাদ আলী সময় সংবাদকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, অসুস্থ অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা জল্লাদ শাহজাহানকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে ৩২ বছর কারাভোগের পর গত বছরের ১৮ জুন দুপুরে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
জানা গেছে, শাহজাহানের মোট ৪২ বছর সাজা হয়েছিল। এর মধ্যে ফাঁসি কার্যকর করে তিনি ১০ বছর ৫ মাস ২৮ দিনের সাজা রেয়াত পান। প্রায় ৩২ বছরের সাজা শেষে মুক্তি পান তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বজলুল হুদা, আর্টিলারি মুহিউদ্দিন, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, ল্যান্সার মহিউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ, যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সালাহ উদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাসেম আলী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামি মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামি হাসানসহ বাংলাদেশের আলোচিত ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছেন শাহজাহান।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে মানিকগঞ্জের একটি মামলায় শাহজাহানকে গ্রেফতার করে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে রাখা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলে রাখা হয় তাকে।
বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। চীনের স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী যাত্রা শুরু করেন। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ডালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’র বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন।
চীনের ডালিয়ানে ‘ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র'- এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৭তম এ্যানুয়াল মিটিং অব দি নিউ চ্যাম্পিয়নসের এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ এএমএনসি-তে যোগ দেন।
এই সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করবে।
২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারিতে, ২০২৮ থেকে নতুন কারিকুলাম: শিক্ষামন্ত্রী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৩:২৭ পিএম
২০২৮ সাল থেকে শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেই সঙ্গে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এখন আর নকল নেই, তবে নকলের রূপ পরিবর্তন হয়েছে। সেজন্য পুরোনো ‘পরীক্ষা আইন’ পরিবর্তন করা হয়েছে। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া যায়, তবে তাকে ডিটেনশনে বা আইনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্র প্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।
এ সময় সাইবার আইনে পরিবর্তনের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাইবার আইন পরিবর্তন হচ্ছে। যেন এর সহযোগীরা পার না পেতে পারে।
তিনি বলেন, এই জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার জন্য বিগত দশ বছর ধরে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
২০২২ সালের পর থেকে যারা অবসর ভাতা পায়নি, তাদের জন্য জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা চালু করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এসময় ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান, সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
শ্যামলীতে হাসপাতালে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অক্সিজেন সংকটে শিশুমৃত্যুর অভিযোগ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৩:০২ পিএম
রাজধানীর শ্যামলীতে বেবী কেয়ার হাসপাতালে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যু ঘিরে উঠেছে গুরুতর অবহেলার অভিযোগ। স্বজনদের দাবি, বিস্ফোরণের পর অক্সিজেন সংকটে পড়ে পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকজন শিশু। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালটির নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় সাড়ে চার মাস বয়সী ফারিছ নামের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হাসপাতালের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকটি শিশুর অবস্থার অবনতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে শ্যামলী বেবী কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে চার মাস বয়সী শিশুটি গত তিন থেকে চার দিন ধরে হাসপাতালটির পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সন্ধ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এতে অক্সিজেন সংকটে পড়ে শিশুটি মারা যায় বলে দাবি করেন তারা। তবে আপাতত এ ঘটনায় কোনো আইনি অভিযোগ দায়ের করতে চান না বলেও জানান তারা।
নিহত শিশুর বাবা ফারুক আহমেদ বলেন, বাচ্চা ভালো ছিল ট্রিটমেন্টে। একটা দুর্ঘটনায় মারা গেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটা স্বীকার করছে না। ওরা বলছে যে, বাচ্চার ক্রিটিক্যাল অবস্থা হয়েছে, আমাদেরকে ডাকতে গেছে এমন সময় ব্লাস্ট হয়েছে।
দীর্ঘ সময় অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত থাকায় পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকটি শিশুর শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
রোগীর স্বজনরা জানান, এখন বাচ্চার অবস্থা ভালো না। ফুসফুস প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো। আমাদের কাছে সিগনেচার চাইছে ডাক্তাররা। যে যদি বাচ্চা মারা যায় বা দম বন্ধ হয়ে যায়, লাইফ সাপোর্ট দিবে। বাচ্চা সাত-আটজন ছিল, একজন তো মারা গেছে।
হাসপাতালে কর্মরত একজন ডাক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী হাম পরবর্তী সময়ে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল শিশুটি। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই শিশুর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকে, এসময়ই ঘটে এমন দুর্ঘটনা।
কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, ‘একটা লাইফ সেভিং ইনজেকশন ফাইলিন দেয়া হয়। জোরে থাকা খালাকে বলি যে, পেশেন্ট পার্টিকে আপনি ডাকেন। কারণ, আমি এখন হয়তো লাইফ সাপোর্ট অথবা অন্য কোনো কন্ডিশনে যেতে লাগতে পারি। তো উনি যখন বের হতে যাবেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের এখানে অক্সিজেনটা ব্লাস্ট করে। অক্সিজেন আমাদের যেহেতু ভেন্টিলেশন মেশিনে অক্সিজেন সাপ্লাই ছিল, সেখানে তো আমার কোনো অক্সিজেনের ঘাটতি দেখায় নি, কোনো অসুবিধা দেখায় নি।’
তবে, স্বজনদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যায়। তাদের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ধরনের দায়িত্বে অবহেলা জড়িত নয় এবং চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য অন্য ফ্লোরে রোগীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
গাইবান্ধায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ২:৩৫ পিএম
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ট্যাপেন্টাডল জাতীয় মাদক সেবন করে পরিবার ও এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির দায়ে সাগর আকন্দ (২৪) নামে এক যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামশিদ ইরাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাগর আকন্দ গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাগুরা-কেশবপুর গ্রামের রেজাউল করিম আকন্দের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ট্যাপেন্টাডল জাতীয় মাদক সেবনের কারণে সাগর আকন্দ পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি, স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে আসছিলেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার মাগুরা-কেশবপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সাগর আকন্দকে আটক করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামশিদ ইরাম খান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামশিদ ইরাম খান বলেন, ট্যাপেন্টাডল জাতীয় মাদক সেবনের অভিযোগে এক যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।












