বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু নিয়ে নোংরা রসিকতা তো বাদই দিলাম, নেতার নৃশংস হত্যার দিনটাতে শোক পর্যন্ত তোমরা পালন করতে দাওনি।
৩২ নাম্বারের সামনে যেতে দাও নাই। ১৫ অগাস্টের দিন লুঙ্গি ড্যান্স গান ছেড়ে সেখানে উদ্দাম নৃত্য করেছো, যিনি শোক পালন করেছেন, হায়েনার মত তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে জেলে ঢুকিয়েছো। বাংলাদেশের অনন্য স্মৃতিচিহ্ন ৩২ নম্বর প্রথমে পুড়িয়েছো ৫ অগাস্ট, এরপর ৮ বার আক্রমণ করে গুড়িয়ে দিয়েছো, বলেছো এটিকে নাকি পতিতালয় বানাবে,
৮০ বছরের উপরের নারীর অন্তর্বাস নিয়ে নোংরামি করেছো, বনে-বাদাড়ে,রাস্তা-ঘাটে আমাদের নেতারা মরে পড়ে ছিলো, মেয়ের ঔষধ কিনতে আসা মাসুদকে খুন করেছো রাজশাহীতে, ভাত খাইয়ে খুন করেছো তোফাজ্জলকে, জেলের ভেতর হত্যা করেছো ৩০০ এর উপর, আদালতে প্রতিদিন হামলা করেছো।
১৫ অগাস্টে কেক কেটেছো মিথ্যে আনন্দ করে, গত পরশুও ছাত্রলীগের বাচ্চা ছেলেটাকে মেরে ওভারব্রীজে ঝুলিয়ে রেখেছো, ছেলে অসুস্থ বাবাকে দেখতে এসেছিলো, আসার পরদিন ভোরে তাকে খুন করেছো।
ছেলেকে খুজতে এসেছিলে, না পেয়ে পঞ্চগড়ে মাকে খুন করেছো, ভাইকে খুন করেছো,পরীক্ষা দিতে আসার পর পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছো, দিনের পর দিন আমাদের কর্মীরা দিনের আলো দেখেনি, দেখেনা।
মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরে ঘুরিয়েছো, পিটিয়েছো, কবরে আগুন দিয়েছো, কবরের লাশ উঠিয়ে পুড়িয়েছো, জীবন্ত মানুষকে ইসলামবিরোধী বলে পুড়িয়ে মেরেছো, প্রকাশ্যে দিন দুপুরে জবাই করেছো, শত শত ধ*র্ষ*ন করেছো।
আমাদের কারো মৃত্যু হবার পর পাইকারি হারে আলহামদুলিল্লাহ বলে জিকির করেছো। সারাটাদিন এইসব নোংরামি করে তুমি এখন যুধিষ্ঠির হয়েছো।
এখন আমাকেই শিখাচ্ছো একটা চোরের মৃত্যুতে আমি হাসবো নাকি কাদবো? তোমার এইসব আবেগে আমার ছ্যাড় ছ্যাড় করে মুতে দেয়া উচিত ছিলো, কিন্তু আশ্চর্য! তোমাদের মত অমানুষ হতে পারলামই না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্তে, নিষ্ঠুর পিশাচ হতে চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না।
All reactions:
87 shares
Like
Comment
Nijhoom Majumder-নিঝুম মজুমদার limited who can comment on this post.