ঢাকা     শনিবার   ১১ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ২৮ ১৪৩২ || ২২ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বিদ্যালয় থেকে অচেতন ও মুখে টেপ লাগানো কিশোরী উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:০৬, ১০ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১০:৫৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যালয় থেকে অচেতন ও মুখে টেপ লাগানো কিশোরী উদ্ধার

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অচেতন ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

আরো পড়ুন:

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাইরুজ্জামান বলেন, “মেয়েটিকে রাতে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সুস্থ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।”

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে যায় মেয়েটি। অনুষ্ঠান শেষে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে রাত ৮টার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুল ইসলামের কাছে মেয়েকে দেখেছেন কিনা জানতে চান পরিবারের সদস্যরা। সেই সঙ্গে মেয়েটি স্কুলে আটকা পড়েছে কিনা দেখতে চান। 

এ সময় বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুল ইসলাম জানান, ভেতরে কেউ নেই এবং বিদ্যালয়ের চাবি কারো হাতে দেওয়া যাবে না। অনেক তর্কবিতর্কের পর এলাকাবাসী এক পর্যায়ে বিদ্যালয়ের পিয়নের কাছ থেকে চাবি নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন কক্ষ তল্লাশির এক পর্যায়ে এলাকাবাসী দেখতে পান, মেয়েটি অচেতন ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় তৃতীয় তলার একটি রুমে পড়ে আছে। তখন তারা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে মেয়েটিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএসও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, রাতে একটি মেয়ে অজ্ঞান অবস্থায় ভর্তি হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে সে কিছুটা সুস্থ।

ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই বলেন, “রাতে স্কুল থেকে বোনকে উদ্ধার করে প্রথমে মিরপুর হাসপাতাল ও পরে কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বোনের সঙ্গে কি হয়েছে আমরা জানি না। প্রশাসনের কাছে, দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”

মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমি অবগত। ঘটনাস্থলে ওসি তদন্ত গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমিও ঘটনাস্থলে যাব। এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/কাঞ্চন/মাসুদ

33 Shares
facebook-white sharing button
whatsapp-white sharing button
messenger-white sharing button
twitter-white sharing button
linkedin-white sharing button
email-white sharing button
sharethis-white sharing button
pinterest-white sharing button
0 LIKE
0 LOVE
0 LOL
0 WOW
0 SAD
0 ANGRY

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়