ঢাকা, বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬
৪ চৈত্র ১৪৩২, ২৮ রমজান ১৪৪৭

ঢাকা, বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬
৪ চৈত্র ১৪৩২, ২৮ রমজান ১৪৪৭

ভাঙাচোরা রাস্তার প্রতিটি মোড় একেকটি মৃত্যুকূপ : আহমাদুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভাঙাচোরা রাস্তার প্রতিটি মোড় একেকটি মৃত্যুকূপ : আহমাদুল্লাহ
শায়খ আহমদুল্লাহ।

সড়কে সুশাসন বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ ১৪ জন নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘যুদ্ধকবলিত দেশ ছাড়া একসঙ্গে একই পরিবারের ৯ জনসহ ১৪ জন মানুষের মৃত্যু সচরাচর ঘটে না। আসলে আমরা যখন রাস্তায় বের হই, যুদ্ধের ময়দানের মতো জীবনের শঙ্কা নিয়েই বের হই।

তিনি বলেন, ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ি, প্রশিক্ষণহীন চালক, ট্রাফিক আইন উপেক্ষা আর ভাঙাচোরা রাস্তার প্রতিটি মোড় যেন একেকটি মৃত্যুকূপ। সরকার, বাস-মালিক, চালক থেকে শুরু করে আমরা সবাই যদি সতর্ক না হই, ট্রাফিক আইন না মানি, সবাই যদি নিজেদের দায়িত্বটা পালন না করি, তবে এই রকম নির্মম মৃত্যু আমাদের নিয়মিত দেখে যেতে হবে।’

ইসলামী এই আলোচক আরো বলেন, ‘সড়কে সুশাসন বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত। এই সুশাসন যদি নিশ্চিত করা না যায়, তবে বিয়ের যাত্রা হোক কিংবা ঈদের আনন্দভ্রমণ, যেকোনো যাত্রাই মুহূর্তে শেষযাত্রায় পরিণত হতে পারে।

ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনি বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আমরা অত্যন্ত ব্যথিত ও শোকাহত। মহান আল্লাহ নিহতদের ভুলত্রুটি ক্ষমা ও স্বজনদের ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

নিজের কথা ও কাজে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দুঃখপ্রকাশ ও অঙ্গীকারের কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছিল।

সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি, ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরো শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।’

মন্তব্য

আমার কথা বা কাজে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
আমার কথা বা কাজে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ছবি : ফেসবুক থেকে নেওয়া।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।’

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গত কয়েকদিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছিল।

সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি, ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরো শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গতকাল ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার এক নীরব সূচনা করেছি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’

মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা জানিয়ে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ বলে উল্লেখ করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের কথা তিনি তুলে ধরেন। 

‘প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ: এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে।

মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন। 

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।  

স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন সরকারের ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘এসব পদক্ষেপ সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে।

মাহদী আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখা প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ হুবহু তুলে ধরা হলো- 

সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা

১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি–৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২,৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ।

২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী– ৪,৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।

৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ–নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ।

সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার। 

৪. প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা–দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি

৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ–প্রায় ২৭,০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা।

৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি–২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন

৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়–প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন; কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস–প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত।

৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত–উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল–শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে। 

অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা

১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা–রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়।

১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ–১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া।

১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ–সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু–পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি–স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু। 

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল–প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল; লটারীর পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ।

১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা–রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।

১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ–৯,০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার।

১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি–শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত; নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু।

স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ

২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র–স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু; ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী।

২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান–সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা–গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস–সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।

রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ

২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়– সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি; অপচয় রোধে ইফতার সীমিত।

২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ–কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ।

২৬. শহীদ সেনা দিবস–২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ। 

২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল–উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ।

২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট–ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন। 

স্ট্যাটাসের শেষ দিকে মাহদী আমিন বলেন, সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তার নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রায় নতুন প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে, ইনশাআল্লাহ। তাই তো তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেন, ‘সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

মন্তব্য
আনিস আলমগীর

জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, একদিন যদি উপলব্ধি হয় ড. ইউনূস বলবে হায় আল্লাহ আমি তো জানি না। এগুলো আসিফরা করেছিল। এদের একটার থেকে আরেকটা বড় বাটপার। শেখ হাসিনা ১৭ বছরে যা করেছে, তার ডাবলের ডাবল করে ফেলেছে ড. ইউনূস।

আমি জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে। সেটারই ধারাবাহিকতা চলছে।

সম্প্রতি মানচিত্র নামের ইউটিউব চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আনিস আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার অবিলম্বে যদি ইউনূসের অপশাসনের চিহ্নগুলো সাফ না করে তাহলে তাদের চালু করা ডাস্টবিন সংস্কৃতির পরিণতি এটাই হবে।

তিনি আরো বলেন, মেন্টাল টর্চার কিভাবে হয়, মানুষ কেন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে সেটা কারাগারে না গেলে বোঝা যেত না এবং ইউনূসের কারাগারে না আসলে কেউ বুঝবে না।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ