ঢাকা৩১ শ্রাবণ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৪

চাকরির খোঁজে ঢাকা এসে নিহত খুলনার সাকিব

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৪, ১১:৪২ এএম
আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৪, ১১:৪৩ এএম
Shares
sharethis sharing button
চাকরির খোঁজে ঢাকা এসে নিহত খুলনার সাকিব
সাকিব রায়হান

আজিজুর রহমান একজন মুদি দোকানি। খুলনায় তার দোকানে চাল, আটা, বিস্কুটসহ টুকিটাকি জিনিস বিক্রি করেন। তার ছোট ছেলে সাকিব রায়হান (২২) চাকরির খোঁজে ঢাকা গিয়েছিলেন। সামনের মাসেই চাকরি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৮ জুলাই রাজধানীর মিরপুরে গুলিতে নিহত হন সাকিব। ছেলে হারানোর শোকে স্তব্ধ আজিজুর। 

আজিজুর জানান, মিরপুরে সেদিন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। হঠাৎ গুলির আঘাতে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে সাকিব। ধরাধরি করে তাকে নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই মারা যায় সাকিব।

তিনি আরও বললেন, ছেলে সাকিব দুই মাস আগে ঢাকায় যায় চাকরির খোঁজে। একটি মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি হয়েছিল। পরে সেখান থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরির চেষ্টা করে। 

ঢাকায় সাকিবের মৃত্যুর খবর মোবাইল ফোনে জানতে পারেন খুলনার সোনাডাঙ্গা নবপল্লিতে বসবাসরত বাবা আজিজুর রহমান।

তার বড় ছেলে সাব্বির রায়হান ঢাকায় অনলাইনে ছোটখাটো ব্যবসা করেন। তিনি ফোনে এ ঘটনা বড় ছেলেকে জানালে ১৯ জুলাই সাকিবের লাশ নিয়ে খুলনায় আসেন। ২০ জুলাই বসুপাড়া কবরস্থানে সাকিবের লাশ দাফন করা হয়। 

তিন ভাই-বোনের মধ্যে সাকিব সবার ছোট। আদরের ছেলের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের কেউ। ডুকরে কেঁদে উঠছেন মা নুরুন্নাহার। 

জানা গেছে, সাকিবের বাবা আজিজুর রহমান ঢাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। পুরো পরিবার নিয়ে সেখানেই থাকতেন। কিন্তু করোনায় ব্যবসায় লোকসানে পড়লে সবাইকে নিয়ে খুলনার নবপল্লিতে চলে আসেন। এখানে গোলপাতার জরাজীর্ণ দোচালা ঘরে থাকেন। বাড়ির সামনে একটি ছোট দোকান ভাড়া নিয়ে মুদি দোকান খুলেছেন। স্বামী-স্ত্রী মিলে কোনোমতে সামলান দোকানটি। কিন্তু পরিবারের দুর্দশা সহ্য করতে পারেননি সাকিব। তাই চাকরির খোঁজে আবার ফিরে যান ঢাকায়। এখন সাকিবকে হারিয়ে পুরো পরিবারটিকে হতাশা ঘিরে ধরেছে। 

বাবা আজিজুর রহমান বলেন, ‘মাত্র এক সপ্তাহ আগে ছেলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়। বলেছিল সামনের মাসেই একটা চাকরি হওয়ার কথা রয়েছে। পরিবারের দুর্দশা সহ্য করতে না পেরে ঢাকায় গিয়েছিল চাকরির খোঁজে। আর সেখানেই লাশ হতে হলো আমার ছেলেকে। সন্তানকে হারানোর কী যন্ত্রণা তা কাকে বলব! যিনি বাবা হয়েছেন তিনিই শুধু জানেন সন্তান হারানোর কী যন্ত্রণা।’ 

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

কুমিল্লায় গুলিতে আহত আইনজীবীর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৬:০৯ পিএম
Shares
sharethis sharing button
কুমিল্লায় গুলিতে আহত আইনজীবীর মৃত্যু
অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গত ৫ আগস্ট কুমিল্লায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকালে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।

জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য আবুল কালাম জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলেও জানা গেছে।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।

অ্যাডভোকেট আবুল কালামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব কাজিরগাঁও গ্রামে। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে তিনি কুমিল্লা শহরের রানীর দিঘিরপাড় এলাকায় বসবাস করতেন। ২০০২ সাল থেকে কুমিল্লা জেলা জজ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর বিকেলে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় কুমিল্লা হাই স্কুলের সামনে সন্ত্রাসীরা তার ওপর হামলা চালায়। একই সময়ে হামলার শিকার হন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিঙ্কুও। হামলা চলাকালে অ্যাডভোকেট আবুল কালামের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের পাশাপাশি কোমরে শট গানের গুলি লাগে। গুলি লাগার পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকার পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান তিনি।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া জানান, শুনেছি গত ৫ আগস্ট সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট আবুল কালামকে গুলি করে। পরে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শুক্রবার সকাল দশটায় জেলা আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আবুল কালামের মৃত্যুতে জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

জহির শান্ত/এমএ/

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

খুলনায় পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:১০ পিএম
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:২৬ পিএম
Shares
sharethis sharing button
খুলনায় পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
পুলিশ কর্মকর্তা সোনালী সেন

খুলনার ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি বাবুল কাজীকে হত্যার অভিযোগ মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সোনালী সেন, খুলনা সদর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক মো. মনিরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম এ মামলা করেন। 

বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে মাথায় পুলিশের লাঠির আঘাতে তিনি নিহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। 

খুলনা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আনিচুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুর রহমান তুষার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ২০২১ সালের ২৯ মার্চ খুলনার কেডি ঘোষ রোড এলাকায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আন্দোলন চলাকালে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন নগরীর ৩১নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি মো. বাবুল কাজী। তাকে খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ দিন পর মৃত্যু হয় তার। এ হত্যাকাণ্ডের তিন বছর পর মামলা করা হয়।

বাদীর আইনজীবী তৌহিদুর রহমান তুষার বলেন, ‘আদালত মামলাটি গ্ৰহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত।’

মাকসুদ রহমান/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

পিরোজপুরের কৃষক হালিমের ঘরটি পুড়ল কে?

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:৫২ পিএম
Shares
sharethis sharing button
পিরোজপুরের কৃষক হালিমের ঘরটি পুড়ল কে?
পুড়ে যাওয়া ঘরের মেঝেতে বসে আছেন অসহায় কৃষক হালিম। ছবি: খবরের কাগজ

পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নে হালিম সরদার নামে এক কৃষকের বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ইউনিয়নের চরপুখুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

অসহায় হালিম সরদার খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমি কোনো রাজনীতি বা দল করি না। আমি কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষ। মঙ্গলবার দুপুরে জানতে পারি, আমার ঘরটি পেট্রল দিয়ে কেউ পুড়িয়ে দিয়েছে। আমি তো কারো ক্ষতি করিনি, তাহলে আমার সঙ্গে এমন আচারণ কেন?’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার আগের দিন (সোমবার) কিছু বখাটে যুবক আমার বাসার পিছনে গাঁজা সেবন করছিল। আমি তা দেখতে পেয়ে ওই যুবকদের বাবার কাছে বিচার দিই। সেই ক্ষোভে ওরা আমার ক্ষতি করতে পারে বলে ধারণা করছি।’

চরপুখুরিয়া গ্রামের বৃদ্ধ মন্মথ মন্ডল খবরের কাগজকে বলেন, ‘হালিম সরদার একজন ভালো ও নিরীহ মানুষ। কারো ক্ষতি করেন না। তার বাড়িতে যে বা যারা আগুন দিয়েছে আমরা তাদের বিচার দাবি করছি।’

তিনি বলেন, ‘কলাখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মাদকের আখড়া বসে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, মাদক বন্ধ করতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’ 

একই গ্রামের যুবক সবুজ খান বলেন, ‘আমাদের গ্রামে কিছু বখাটে পোলাপান আছে, ওরা দিনরাত নেশা করে। কেউ বাধা দিলে তার উপর চড়াও হয়। হালিম কাকা একজন সহজ-সরল মানুষ। তিনি বাধা দেওয়ায় তার বাড়িতে আগুন তারাই দিতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।’

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ইমন/পপি/অমিয়/

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-শিশু নিহত

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:৩৮ পিএম
Shares
sharethis sharing button
কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-শিশু নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী মা ও সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সদর দক্ষিণ থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ছাড়াও দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের চালক কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আসাবপুর এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াসিন।

নিহতরা হলেন, ইয়াসিনের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার মিতু (২২) ও তার ১৫ মাস বয়সী সন্তান আলভী। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহমুদ হাসান খবরের কাগজকে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এলাকায় একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে চাপা দেয় চট্টগ্রামমুখী একটি কাভার্ডভ্যান। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা মা ও শিশু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহত হন মোটরসাইকেল চালক ইয়াসিন।  

হতাহতরা সদর দক্ষিণ উপজেলার রতনপুর এলাকার ইয়াসিনের বোনের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি ভাগলপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। 

তিনি আরও বলেন, ‘দুইজনের মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলকে চাপা দেওয়া কাভার্ডভ্যানটিকে জব্দ করা সম্ভব হয়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

জহির শান্ত/ইসরাত চৈতী/অমিয়/

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button

ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধুর ৪৯তম শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৪, ০৪:৪৪ পিএম
Shares
sharethis sharing button
ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধুর ৪৯তম শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত
ছবি: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। খবরের কাগজ

ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদাৎবার্ষিকী। তবে জেলা শহরে কোনো কর্মসূচি পালন করেনি আওয়ামী লীগ। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা।

ফরিদপুরের মধুখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগ, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এর আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদৎবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট)  সকাল ৯টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে আখ চাষী কল্যাণ সংস্থা ভবনের সামনে জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে।

পরে কালো ব্যাজ ধারণ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন পরবর্তী সংক্ষিপ্ত র‌্যালি করা হয়। 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বঙ্গবন্ধুর ৪৯তম শাহাদাৎবার্ষিকী পালিত হয়েছে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন মুশার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভা বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এরপর সেখান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়।

এছাড়া সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদাৎবার্ষিকী।

সঞ্জিব দাস/ইসরাত চৈতী/অমিয়/

Shares
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
sharethis sharing button