কোটা সংস্কার আন্দোলন ও শেখ হাসিনা সরকারের পতন-পরবর্তী সহিংসতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আরো ৯৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল ও সোমবার রাতে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহে মৃতের সংখ্যা পাঁচশ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ১৬ জুলাই থেকে শনিবার পর্যন্ত ২১৬, রোববার ১০৩ ও সোমবার ১২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায় হাসপাতাল, পরিবার ও পুলিশ সূত্রে। গতকালও দেশের বেশ কয়েক জায়গায় সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে সোমবার বিভিন্ন জেলায় থানা ভবনসহ আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও নেতাদের বাসভবনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন থানাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর খবরও পাওয়া যায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে গতকাল তেমন কোনো সহিংসতার খবর না পাওয়া যায়নি। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অবশ্য জানিয়েছেন, সংঘাত-সংঘর্ষের সঙ্গে তাদের কেউ জড়িত নন। দুর্বৃত্তরা এসব করেছে। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সোমবারের কর্মসূচি ‘মার্চ টু ঢাকা’ এবং একই দিন শেখ হাসিনার পদত্যাগের ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, সহিংসতা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আরো ২১ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আনা হয়। সোমবার মধ্যরাত থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত আনা হয় মরদেহগুলো। এর মধ্যে পুলিশ, র্যাব ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যও রয়েছেন।
মরদেহগুলোর বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গতকাল আরো ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে গত সোমবারের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৩-এ দাঁড়াল।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের ভেতর থেকে চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুড়ে যাওয়া স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে মরদেহগুলো এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া যাত্রাবাড়ী থানার সামনে থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের ওপর পুলিশের পোশাক ছিল। আরেকজনের মরদেহের হাতে পরানো ছিল হাতকড়া। হাতিরঝিল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মাথায় ও বুকে গুলির আঘাত থাকা এক যুবকের মরদেহ। পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম লেখা রয়েছে বাপ্পি আহমেদ। বাবার নাম মো. সাহিদ আহমেদ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য রয়েছেন।
সাভার: মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সোমবার সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুড়িয়ে দেয়া হয় সাভার মডেল থানা, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ভবন, আশুলিয়া থানা ভবন ও ধামরাই থানা ভবন। কর্মসূচি ঘিরে সহিংসতায় সাভারে পুলিশসহ অন্তত ৩৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন ২৭ জন। এছাড়া পুলিশ সদস্যসহ ছয়জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে গতকাল সকালে এসব তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে সাভারের এনাম মেডিকেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১৩ জন, নারী ও শিশু হাসপাতালে তিন, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজে নয় ও হাবিব ক্লিনিকে দুজনের মরদেহ ছিল। এছাড়া আশুলিয়া থানার সামনে চারজন ও থানার লাশঘরের সামনে দুজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায় গতকাল।
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জানায়, রমজান আলী (৩৫), শ্রাবণ গাজী (২১), তৌহিদুর রহমান (২৮), মুজাহিদ (২৪), রাসেল (২৮), নাফিজা, সাফওয়ান, নিশান, মুন্না, রফিক, সজীব, রানা ও আলামিনের মৃত্যুর তথ্য তারা নথিভুক্ত করেছে। গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজে ছিল শ্রাবণ (২০), শাকিনুর (৩২), আরাফাত (২১), ইসমাইল (৭০), সুজন (২০), শ্রাবণ গাজী (২৫), আবদুল মান্নান (৪৫), শামীম ও হামিদের মরদেহ। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
নারী ও শিশু হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনজনের মরদেহ আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।’
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের বহির্বিভাগের ইনচার্জ জুয়েলুজ্জামান জুয়েল বলেন, ‘সোমবার সকাল থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত হাসপাতালে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো ৭২ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
গাজীপুর: মহানগরীর বাসন থানার সামনে থেকে গতকাল ভোরে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম আবদুল মালেক (৪৫)। তিনি বাসন থানার কনস্টেবল ছিলেন। অন্যদিকে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার একাডেমির পাশের লেক থেকে উদ্ধার হয়েছে এক যুবকের মরদেহ। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। বয়স আনুমানিক ৩০ বছর।
সাতক্ষীরা: সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে সাতক্ষীরায়। ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনায়। প্রতাপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী জানান, সোমবার বিকাল ৫টার দিকে কয়েকশ লোক মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেনের নাকনা গ্রামের বাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে তিনি ছাদ থেকে গুলি ছোড়েন। এতে ১০-১২ জন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলে মারা যান কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের আনাস বিল্লাহ (১৬), কল্যাণপুর গ্রামের আদম আলী (১৬) ও কোলা গ্রামের আলম হোসেন। গুলিবিদ্ধ হিজলিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আনার পথে মারা যান।
একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়ি ঢুকে জাকির ও তার সহযোগী শাকের আলী, জাহাঙ্গীর আলম, সজীব হোসেন ও আশিককে কুপিয়ে হত্যা করে। এছাড়া সদর উপজেলার বৈকারী গ্রামের রাফেল সরদারের ছেলে আসাফুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সহিংসতায় সদর উপজেলার মিরগিডাঙ্গা গ্রামের মুকুল হোসেন, জাহিদ হোসেন ও ফারুক হোসেন এবং পাশের ঘোনা গ্রামের সাইফুল ইসলাম নিহত হয়েছেন। বৈকারী ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার রাতে তারা হত্যার শিকার হন।
লালমনিরহাট: একটি বহুতল ভবন থেকে ছয়জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। তারা সবাই পুড়ে মারা গেছেন। সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লালমনিরহাট সদর ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সহিদার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন আদিতমারী উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসী, হাড়িভাঙ্গার মৃত জহেদুল ইসলাম খোকনের ছেলে তন্ময় আহম্মেদ, খাতাপাড়ার লালমনিরহাট সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি সাইদুল ইসলাম মিঠুলের ছেলে শ্রাবণ, সেকেন্দার আলীর ছেলে জনি, রেজাউল করিম সরকারের ছেলে মো. রাজিবুল করিম, জিয়াউর রহমানের ছেলে রাদিক হোসেন রিদে।
নাটোর: সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের বাসভবন থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সকালে শহরের কান্দিভিটুয়া মহল্লার জান্নাতি প্যালেস নামের ওই বাড়ির একাধিক কক্ষ, বারান্দা ও ছাদে এসব মৃতদেহ পড়ে ছিল। নিহতরা হলেন নাটোর সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আকিব হোসেন (১৭), শহরতলির তালতলার এইচএসসি পরীক্ষার্থী সিয়াম হোসেন (১৮), মল্লিকহাটি মহল্লার ইয়াছিন আলী (১৮) এবং উত্তর বড়গাছার শরিফুল ইসলাম মহন (২৭)। তবে নিহতরা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করতে গিয়ে নিজেরাই পুড়ে মারা গেছেন বলে মনে করছেন নাটোর সদর থানার এসআই জামাল হোসেন।
যশোর: জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন হোটেল থেকে আরো চার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৪-এ দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকও রয়েছেন। নিহতরা সবাই পুরুষ, বয়স ১৮-৪০ বছরের মধ্যে। শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর সোমবার বিকালে বিজয় মিছিল থেকে বিক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালে অগ্নিসংযোগ করে।
যশোর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ জানান, গতকাল সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালে উদ্ধার কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে দুজনকে।
লক্ষ্মীপুর: রামগঞ্জে গত দুদিনে থানা, উপজেলা পরিষদের ১২টি কার্যালয় ও আওয়ামী লীগের আট নেতার কার্যালয়, বাড়িতে ভাংচুর, অস্ত্র লুটসহ আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ গতকাল সকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মেহেদী মঞ্জুর বাড়িতে ভাংচুর করা হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার আলাদা ঘটনায় দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এছাড়া আগুন দেয়ায় এমপি আনোয়ার হোসেন খানের বাণিজ্যিক ভবনের ছাদ থেকে ভয়ে লাফ দিয়ে পড়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
ফেনী: সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নে বাদশা মিয়া ওরফে কানা বাদশা (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতার মরদেহ পাওয়া গেছে। গতকাল সকালে ওই ইউনিয়নের আফতাব বিবি বাজারে একটি স মিলের সামনে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বাদশা ওই ইউনিয়নের মধুয়াযই গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। চলমান পরিস্থিতিতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাদশাকে পিটিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। এছাড়া ধলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে।
চুয়াডাঙ্গা: সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন। গতকাল বিকাল পৌনে ৫টার দিকে মোমিনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গোলাম ফারুক ওই ইউনিয়নের সরিষাডাঙ্গা গ্রামের মরহুম তিতা জোয়ার্দ্দারের ছেলে।
নিহতের ফুফাতো ভাই মোস্তাফিজুর রহমান মাজু জানান, তার ভাই হেঁটে বাজার করার জন্য যাচ্ছিলেন। এ সময় ৮-১০ জন তাকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে ফারুক মারা যান।
কিশোরগঞ্জ: ভৈরব উপজেলা শহরের জান্নাত রেস্টুরেন্ট জ্বালিয়ে দেয়ার পর গতকাল সকালে এর ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে একজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে। নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সোমবার বিকালে রেস্টুরেন্টে দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়েছিল। রেস্টুরেন্ট মালিক ভৈরব পৌরসভার কাউন্সিলর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেন মিন্টু। ধারণা করা হচ্ছে আগুন দেয়ার আগে নিহতরা খাবার খেতে ভেতরে ছিল।
দুর্বৃত্তরা গতকাল সকালেও ভৈরব শহরের বিভিন্ন স্থানে ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর: হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেনের বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পর তার বাড়ি থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাকিমপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার আবুল কাশেম গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন উপজেলার বড় ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মজনুর রহমানের ছেলে সূর্য (২০) ও পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের বাসিন্দা নাঈম (২৩)। সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় পুড়ে যাওয়া বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এ সময় বাড়িতে মেয়র ও তার পরিবারের কেউ ছিলেন না।
নীলফামারী: ডিমলা উপজেলায় শ্রমিক লীগ নেতা রফিকুল ইসলামের (৪৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলা শহরের বাবুরহাট বকদুলঝুলা নামক স্থানে গতকাল তার মরদেহ পাওয়া যায়। হত্যার শিকার ওই ব্যক্তি উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের আসাদগঞ্জ গ্রামের আব্দুস সোহবানের ছেলে।