মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব
ইসলাম ও ইসলামের নবী মুহাম্মদ বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে এখানে উল্লেখিত বিভিন্ন মনিষীর উদ্ধৃতিগুলো বিভিন্ন বই থেকে নেয়া। সেখান থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছি। অনুবাদে ভূল হওয়া স্বাভাবিক এবং তার জন্যে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আশা করছি উদ্ধৃতিগুলো মুহাম্মদ ( স: ) কে নতুন আংগিকে বুঝতে সহায়তা করবে।
Sir George Bernard Shaw in ‘The Genuine Islam,’ Vol. 1, No. 8, 1936.
মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি– চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে।
আমি বিশ্বাস করি তাঁর মতো ব্যক্তির নিকট যদি আধুনিক বিশ্বের একনায়কতন্ত্র অর্পণ করা হতো তবে এর সমস্যাগুলো তিনি এমনভাবে সফলতার সাথে সমাধান করতেন যা বহু প্রতিক্ষীত শান্তি ও সুখ আনয়ন করতো। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি যে মুহাম্মদের ধর্মবিশ্বাস আগামীদিনের ইউরোপের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যা ইতিমধ্যে বর্তমান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আরম্ভ করেছে।
মুহাম্মদের ধর্মের প্রতি আমি সবসময় সুউচ্চ ধারণা পোষণ করি কারণ এর চমৎকার প্রাণবন্ততা। আমার কাছে মনে হয় এটাই একমাত্র ধর্ম যেটা সদা পরিবর্তনশীল জীবনযাত্রার সাথে অঙ্গীভূত হওয়ার ক্ষমতা রাখে যা প্রত্যেক যুগেই মানুষের হৃদয়ে আবেদন রাখতে সক্ষম। আমি তাঁর(মুহাম্মদ) সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি– চমৎকার একজন মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্টবিরোধী হওয়া সত্বেও তাঁকে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলতে হবে।
আমি বিশ্বাস করি তাঁর মতো ব্যক্তির নিকট যদি আধুনিক বিশ্বের একনায়কতন্ত্র অর্পণ করা হতো তবে এর সমস্যাগুলো তিনি এমনভাবে সফলতার সাথে সমাধান করতেন যা বহু প্রতিক্ষীত শান্তি ও সুখ আনয়ন করতো। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি যে মুহাম্মদের ধর্মবিশ্বাস আগামীদিনের ইউরোপের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, যা ইতিমধ্যে বর্তমান ইউরোপে গ্রহণযোগ্যতা পেতে আরম্ভ করেছে।
Thomas Carlyle in ‘Heroes and Hero Worship and the Heroic in History,’ 1840
এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।
এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।
Mahatma Gandhi, statement published in ‘Young India,’1924.
আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম যিনি আজ লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে অবিতর্কিতভাবে স্থান নিয়ে আছেন…….যেকোন সময়ের চেয়ে আমি বেশী নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেইসব দিনগুলোতে মানুষের জীবন-ধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস, ভয়হীনতা, ঈশ্বর এবং তাঁর(নবীর) ওপর অর্পিত দায়িত্বে অসীম বিশ্বাস। এ সব-ই মুসলমানদেরকে সকল বাঁধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। যখন আমি মুহাম্মদের জীবনীর ২য় খন্ড বন্ধ করলাম তখন আমি খুব দু:খিত ছিলাম যে এই মহান মানুষটি সম্পর্কে আমার পড়ার আর কিছু বাকি থাকলো না।
আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম যিনি আজ লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে অবিতর্কিতভাবে স্থান নিয়ে আছেন…….যেকোন সময়ের চেয়ে আমি বেশী নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেইসব দিনগুলোতে মানুষের জীবন-ধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস, ভয়হীনতা, ঈশ্বর এবং তাঁর(নবীর) ওপর অর্পিত দায়িত্বে অসীম বিশ্বাস। এ সব-ই মুসলমানদেরকে সকল বাঁধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। যখন আমি মুহাম্মদের জীবনীর ২য় খন্ড বন্ধ করলাম তখন আমি খুব দু:খিত ছিলাম যে এই মহান মানুষটি সম্পর্কে আমার পড়ার আর কিছু বাকি থাকলো না।
Dr. William Draper in ‘History of Intellectual Development of Europe’
জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পর, ৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে আরবে একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন যিনি সকলের চাইতে মানবজাতির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন….অনেক সাম্রাজ্যের ধর্মীয় প্রধান হওয়া, মানবজাতির এক তৃতীয়াংশের প্রাত্যহিক জীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করা– এসবকিছুই সৃষ্টিকর্তার দূত হিসেবে তাঁর উপাধির যথার্থতা প্রমাণ করে।
জাস্টিনিয়ানের মৃত্যুর চার বছর পর, ৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে আরবে একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেন যিনি সকলের চাইতে মানবজাতির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন….অনেক সাম্রাজ্যের ধর্মীয় প্রধান হওয়া, মানবজাতির এক তৃতীয়াংশের প্রাত্যহিক জীবনের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করা– এসবকিছুই সৃষ্টিকর্তার দূত হিসেবে তাঁর উপাধির যথার্থতা প্রমাণ করে।
Alphonse de LaMartaine in ‘Historie de la Turquie,’ Paris, 1854.
উদ্দেশ্যের মহত্ব, লক্ষ্য অর্জনের উপায়সমূহের ক্ষুদ্রতা এবং আশ্চর্যজনক ফলাফল যদি অসাধারণ মানুষের তিনটি বৈশিষ্ট্য হয় তবে কে মুহাম্মদের সাথে ইতিহাসের অন্য কোন মহামানবের তুলনা করতে সাহস করবে ? বেশীরভাগ বিখ্যাত ব্যক্তি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন এবং সাম্রাজ্য তৈরী করেছেন। তাঁরা যদি কিছু প্রতিষ্ঠা করে থাকেন সেটা কিছুতেই জাগতিক ক্ষমতার চাইতে বেশি কিছু নয় যা প্রায়ই তাদের চোখের সামনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই মানুষটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন, সাম্রাজ্য, শাসক, লোকবল-ই পরিচালনা করেননি সেইসাথে তৎকালীন বিশ্বের লক্ষ-লক্ষ মানুষের জীবনকে আন্দোলিত করেছিলেন; সবচেয়ে বড় কথা হলো তিনি দেব-দেবী, ধর্মসমূহ, ধারণাগুলো, বিশ্বাসসমূহ এবং আত্মাগুলোকে আন্দোলিত করেছিলেন।
দার্শনিক, বাগ্মী, বার্তাবাহক, আইনপ্রণেতা, নতুন ধারণার উদ্ভাবনকারী/ধারণাকে বাস্তবে রূপদানকারী, বাস্তব বিশ্বাসের পুনরুদ্ধারকারী…..বিশটি জাগতিক এবং একটি আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-এই হলো মুহাম্মদ। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের যত মাপকাঠি আছে তার ভিত্তিতে বিবেচনা করলে আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে পারি- মুহাম্মদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ আছে কি ?
উদ্দেশ্যের মহত্ব, লক্ষ্য অর্জনের উপায়সমূহের ক্ষুদ্রতা এবং আশ্চর্যজনক ফলাফল যদি অসাধারণ মানুষের তিনটি বৈশিষ্ট্য হয় তবে কে মুহাম্মদের সাথে ইতিহাসের অন্য কোন মহামানবের তুলনা করতে সাহস করবে ? বেশীরভাগ বিখ্যাত ব্যক্তি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন এবং সাম্রাজ্য তৈরী করেছেন। তাঁরা যদি কিছু প্রতিষ্ঠা করে থাকেন সেটা কিছুতেই জাগতিক ক্ষমতার চাইতে বেশি কিছু নয় যা প্রায়ই তাদের চোখের সামনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই মানুষটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনী, আইন, সাম্রাজ্য, শাসক, লোকবল-ই পরিচালনা করেননি সেইসাথে তৎকালীন বিশ্বের লক্ষ-লক্ষ মানুষের জীবনকে আন্দোলিত করেছিলেন; সবচেয়ে বড় কথা হলো তিনি দেব-দেবী, ধর্মসমূহ, ধারণাগুলো, বিশ্বাসসমূহ এবং আত্মাগুলোকে আন্দোলিত করেছিলেন।
দার্শনিক, বাগ্মী, বার্তাবাহক, আইনপ্রণেতা, নতুন ধারণার উদ্ভাবনকারী/ধারণাকে বাস্তবে রূপদানকারী, বাস্তব বিশ্বাসের পুনরুদ্ধারকারী…..বিশটি জাগতিক এবং একটি আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-এই হলো মুহাম্মদ। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব পরিমাপের যত মাপকাঠি আছে তার ভিত্তিতে বিবেচনা করলে আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করতে পারি- মুহাম্মদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ আছে কি ?
Michael H. Hart in ‘The 100, A Ranking of the Most Influential Persons In History,’ New York, 1978.
মুহাম্মদকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেকুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যীশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশী।…. আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেকুলার উভয়ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভুত করেছে।
মুহাম্মদকে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেকুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যীশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশী।…. আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেকুলার উভয়ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভুত করেছে।
W. Montgomery Watt in ‘Muhammad at Mecca,’ Oxford, 1953.
নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি……শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।
নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রকার কষ্ট সহ্য করা, তাঁকে যারা বিশ্বাস করতো এবং নেতা হিসেবে অনুসরণ করতো তাদের সুউচ্চ চারিত্রিক গুণাবলি, এবং মুহাম্মদের অর্জনের বিশালত্ব- এ সবকিছুই তাঁর সততার সাক্ষ্য দেয়। মনে করুন মুহাম্মদ একজন অসাধু ব্যাক্তি যিনি সমাধানের চেয়ে সমস্যাই বেশী সৃষ্টি করেছেন। অধিকন্তু, আর কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই মুহাম্মদের মতো পাশ্চাত্যে এতবেশী অবমূল্যায়িত হয়নি……শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।
D. G. Hogarth in ‘Arabia’
গুরুত্বপূর্ণ অথবা তুচ্ছ, তাঁর দৈনন্দিন প্রতিটি আচার-আচরণ একটি অনুশাসনের সৃষ্টি করেছে যা লক্ষ-কোটি মানুষ বর্তমানকালেও সচেতনতার সাথে মেনে চলে। মানবজাতির কোন অংশ কতৃক আদর্শ বলে বিবেচিত আর কোন মানুষকেই মুহাম্মদের মতো এতো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হয়নি। খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতার আচার-আচরণ তাঁর অনুসারীদের জীবন-যাপনকে নিয়ন্ত্রণ করেনি। অধিকন্তু, কোন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাই মুসলমানদের নবীর মতো এরকম অনুপম বৈশিষ্ট্য রেখে যায়নি।
গুরুত্বপূর্ণ অথবা তুচ্ছ, তাঁর দৈনন্দিন প্রতিটি আচার-আচরণ একটি অনুশাসনের সৃষ্টি করেছে যা লক্ষ-কোটি মানুষ বর্তমানকালেও সচেতনতার সাথে মেনে চলে। মানবজাতির কোন অংশ কতৃক আদর্শ বলে বিবেচিত আর কোন মানুষকেই মুহাম্মদের মতো এতো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হয়নি। খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতার আচার-আচরণ তাঁর অনুসারীদের জীবন-যাপনকে নিয়ন্ত্রণ করেনি। অধিকন্তু, কোন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাই মুসলমানদের নবীর মতো এরকম অনুপম বৈশিষ্ট্য রেখে যায়নি।
Gibbon in ‘The Decline and Fall of the Roman Empire’ 1823
মুহাম্মদের মহত্বের ধারণা আড়ম্বড়পূর্ণ রাজকীয়তার ধারণাকে অস্বীকার করেছে। স্রষ্টার বার্তাবাহক পারিবারিক গৃহকর্মে নিবেদিত ছিলেন; তিনি আগুন জ্বালাতেন; ঘর ঝাড়ু দিতেন; ভেড়ার দুধ দোয়াতেন; এবং নিজ হাতে নিজের জুতা ও পোষাক মেরামত করতেন। পাপের প্রায়শ্চিত্তের ধারণা ও বৈরাগ্যবাদকে তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁকে কখনো অযথা দম্ভ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি, একজন আরবের সাধারণ খাদ্যই ছিলো তাঁর আহার্য।
মুহাম্মদের মহত্বের ধারণা আড়ম্বড়পূর্ণ রাজকীয়তার ধারণাকে অস্বীকার করেছে। স্রষ্টার বার্তাবাহক পারিবারিক গৃহকর্মে নিবেদিত ছিলেন; তিনি আগুন জ্বালাতেন; ঘর ঝাড়ু দিতেন; ভেড়ার দুধ দোয়াতেন; এবং নিজ হাতে নিজের জুতা ও পোষাক মেরামত করতেন। পাপের প্রায়শ্চিত্তের ধারণা ও বৈরাগ্যবাদকে তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁকে কখনো অযথা দম্ভ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি, একজন আরবের সাধারণ খাদ্যই ছিলো তাঁর আহার্য।
Lane-Poole in ‘Speeches and Table Talk of the Prophet Muhammad’
তিনি যাদেরকে আশ্রয় দিতেন তাদের জন্য ছিলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষাকারী, কথাবার্তায় ছিলেন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও নম্র। তাঁকে যারা দেখত তারা শ্রদ্ধায় পূর্ণ হতো; যারাই তাঁর কাছে এসেছিল তাঁকে ভালবেসেছিল; যারা তাঁর সম্বন্ধে বর্ণনা দিত তারা বলতো, ” তাঁর মতো মানুষ আগে বা পরে আমি কখনো দেখিনি।” তিনি ছিলেন অতি স্বল্পভাষী, কিন্তু যখন তিনি কথা বলতেন জোরের সাথে এবং সুচিন্তিতভাবে কথা বলতেন। এবং তিনি যা বলতেন তা কেউ ভুলতে পারতো না।
তিনি যাদেরকে আশ্রয় দিতেন তাদের জন্য ছিলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষাকারী, কথাবার্তায় ছিলেন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও নম্র। তাঁকে যারা দেখত তারা শ্রদ্ধায় পূর্ণ হতো; যারাই তাঁর কাছে এসেছিল তাঁকে ভালবেসেছিল; যারা তাঁর সম্বন্ধে বর্ণনা দিত তারা বলতো, ” তাঁর মতো মানুষ আগে বা পরে আমি কখনো দেখিনি।” তিনি ছিলেন অতি স্বল্পভাষী, কিন্তু যখন তিনি কথা বলতেন জোরের সাথে এবং সুচিন্তিতভাবে কথা বলতেন। এবং তিনি যা বলতেন তা কেউ ভুলতে পারতো না।
Edward Gibbon and Simon Oakley in ‘History of the Saracen Empire,’ London, 1870
প্রচার নয় মুহাম্মদের ধর্মের স্থায়িত্বই আমাদেরকে আশ্চর্যান্বিত করে। অকৃত্রিম এবং পূর্ণাংগ সম্মোহনকারী শক্তি যেটা তিনি মক্কা এবং মদীনায় অর্জন করেছিলেন সেটা বারশত বছর পরেও একই আছে কোরআনের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত তাঁর ভারতীয়, আফ্রিকান ও তুর্কী অনুসারীদের মধ্যে। প্রলুব্ধ/আক্রান্ত হওয়া সত্বেও মুসলমানরা তাদের মূল বিশ্বাস ক্ষয়প্রাপ্ত হতে দেয়নি। ” আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর দূত “-এটাই হলো ইসলামের সহজ এবং অপরিবর্তনীয় বিশ্বাস। বুদ্ধিবৃত্তিক ঈশ্বরের চেতনা কোন দৃশ্যমান মূর্তি দ্বারা হ্রাস পায়নি; নবীর মর্যাদা কখনো মানবীয় গুণাবলীর ব্যাপ্তি অতিক্রম করেনি। তাঁর জীবনধারণ পদ্ধতি শিষ্যদের কৃতজ্ঞতাবোধ ধরে রেখেছে যুক্তি ও ধর্মের সীমার মধ্যে।
প্রচার নয় মুহাম্মদের ধর্মের স্থায়িত্বই আমাদেরকে আশ্চর্যান্বিত করে। অকৃত্রিম এবং পূর্ণাংগ সম্মোহনকারী শক্তি যেটা তিনি মক্কা এবং মদীনায় অর্জন করেছিলেন সেটা বারশত বছর পরেও একই আছে কোরআনের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত তাঁর ভারতীয়, আফ্রিকান ও তুর্কী অনুসারীদের মধ্যে। প্রলুব্ধ/আক্রান্ত হওয়া সত্বেও মুসলমানরা তাদের মূল বিশ্বাস ক্ষয়প্রাপ্ত হতে দেয়নি। ” আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর দূত “-এটাই হলো ইসলামের সহজ এবং অপরিবর্তনীয় বিশ্বাস। বুদ্ধিবৃত্তিক ঈশ্বরের চেতনা কোন দৃশ্যমান মূর্তি দ্বারা হ্রাস পায়নি; নবীর মর্যাদা কখনো মানবীয় গুণাবলীর ব্যাপ্তি অতিক্রম করেনি। তাঁর জীবনধারণ পদ্ধতি শিষ্যদের কৃতজ্ঞতাবোধ ধরে রেখেছে যুক্তি ও ধর্মের সীমার মধ্যে।
Jules Masserman in ‘Who Were Histories Great Leaders?’ in TIME Magazine, July 15, 1974
নেতাদের অবশ্যই তিনধরনের কাজ সম্পাদন করতে হয়- অনুসারীদের মংগলের ব্যবস্থা করা, এমন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করা যেটাতে সাধারণ লোকজন তুলনামূলকভাবে নিরাপত্তা বোধ করে, এবং অনুসারীদের জন্য একটি পূর্ণাংগ বিশ্বাসের যোগান দেয়া। প্রথমটি বিবেচনায় নেতা হলেন লুই পাস্তুর এবং সাল্ক( Salk)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় একদিকে গান্ধী ও কনফুসিয়াস এবং অন্যদিকে আলেকজান্ডার, সীজার ও হিটলার- এরা হলেন নেতা। যীশুখ্রিস্ট ও গৌতম বুদ্ধ তৃতীয়টি বিবেচনায় নেতা। সম্ভবত মুহাম্মদ হলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নেতা যিনি ওপরোক্ত তিনটি কার্যাবলীই সম্পাদন করেছেন। স্বল্প পরিসরে হলেও মুসাও একই কাজ করেছিলেন।
নেতাদের অবশ্যই তিনধরনের কাজ সম্পাদন করতে হয়- অনুসারীদের মংগলের ব্যবস্থা করা, এমন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করা যেটাতে সাধারণ লোকজন তুলনামূলকভাবে নিরাপত্তা বোধ করে, এবং অনুসারীদের জন্য একটি পূর্ণাংগ বিশ্বাসের যোগান দেয়া। প্রথমটি বিবেচনায় নেতা হলেন লুই পাস্তুর এবং সাল্ক( Salk)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় একদিকে গান্ধী ও কনফুসিয়াস এবং অন্যদিকে আলেকজান্ডার, সীজার ও হিটলার- এরা হলেন নেতা। যীশুখ্রিস্ট ও গৌতম বুদ্ধ তৃতীয়টি বিবেচনায় নেতা। সম্ভবত মুহাম্মদ হলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নেতা যিনি ওপরোক্ত তিনটি কার্যাবলীই সম্পাদন করেছেন। স্বল্প পরিসরে হলেও মুসাও একই কাজ করেছিলেন।
Annie Besant in ‘The Life and Teachings of Mohammad,’ Madras, 1932.
যে কেউ আরবের মহান নবীর জীবন এবং চরিত্র অধ্যয়ন করেন তার হৃদয়ে মহান নবীর প্রতি শ্রদ্ধার উদ্রেক না হয়ে পারে না, যিনি জেনেছেন তিনি(নবী) কিভাবে শিক্ষা দিতেন এবং বসবাস করতেন; তিনি ছিলেন স্রষ্টার মহান বার্তাবাহকদের অন্যতম। যদিও আমি আপনাদেরকে এখন যা বলবো তা অনেকের কাছে সুপরিচিত মনে হতে পারে, তথাপি যখনই আমি মুহাম্মদের জীবনী পুনরায় পাঠ করি প্রতিবারই আরবের মহান শিক্ষকের প্রতি আমার মনে মুগ্ধতা ও শ্রদ্ধার নতুন ভাব জাগ্রত হয়।
যে কেউ আরবের মহান নবীর জীবন এবং চরিত্র অধ্যয়ন করেন তার হৃদয়ে মহান নবীর প্রতি শ্রদ্ধার উদ্রেক না হয়ে পারে না, যিনি জেনেছেন তিনি(নবী) কিভাবে শিক্ষা দিতেন এবং বসবাস করতেন; তিনি ছিলেন স্রষ্টার মহান বার্তাবাহকদের অন্যতম। যদিও আমি আপনাদেরকে এখন যা বলবো তা অনেকের কাছে সুপরিচিত মনে হতে পারে, তথাপি যখনই আমি মুহাম্মদের জীবনী পুনরায় পাঠ করি প্রতিবারই আরবের মহান শিক্ষকের প্রতি আমার মনে মুগ্ধতা ও শ্রদ্ধার নতুন ভাব জাগ্রত হয়।
W.C. Taylor in ‘The History of Muhammadanism and its Sects’
দরিদ্র লোকদের প্রতি তাঁর সদয়তা এত বেশী ছিল যে প্রায়ই পরিবার-পরিজনকে উপবাস করতে হতো। তিনি শুধু তাদের অভাব মোচন করেই তৃপ্ত হতেন না, তাদের সাথে কথা-বার্তা বলতেন এবং তাদের দু:খ-দুর্দশার জন্য গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন ঘনিষ্ট বন্ধু এবং বিশ্বস্ত সহযোগী।
দরিদ্র লোকদের প্রতি তাঁর সদয়তা এত বেশী ছিল যে প্রায়ই পরিবার-পরিজনকে উপবাস করতে হতো। তিনি শুধু তাদের অভাব মোচন করেই তৃপ্ত হতেন না, তাদের সাথে কথা-বার্তা বলতেন এবং তাদের দু:খ-দুর্দশার জন্য গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন ঘনিষ্ট বন্ধু এবং বিশ্বস্ত সহযোগী।
Reverend Bosworth Smith in ‘Muhammad and Muhammadanism,’ London, 1874.
রাষ্ট্রপ্রধান একইসাথে উপাসনাগৃহের প্রধান, তিনি ছিলেন একই সাথে সীজার এবং পোপ; তিনি পোপ ছিলেন কিন্তু পোপের দুরহংকার ছাড়া, তিনি সীজার ছিলেন কিন্তু সীজারের মতো বিরাট সেনাবাহিনী ছাড়া, দেহরক্ষী ছাড়া, শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া, স্থায়ী কোন ভাতা ছাড়া। যদি আজ পর্যন্ত কোন মানুষ ন্যায়বিচারপূর্ণ স্বর্গীয় শাসন করে থাকে, তবে সেটা ছিলেন মুহাম্মদ।
রাষ্ট্রপ্রধান একইসাথে উপাসনাগৃহের প্রধান, তিনি ছিলেন একই সাথে সীজার এবং পোপ; তিনি পোপ ছিলেন কিন্তু পোপের দুরহংকার ছাড়া, তিনি সীজার ছিলেন কিন্তু সীজারের মতো বিরাট সেনাবাহিনী ছাড়া, দেহরক্ষী ছাড়া, শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া, স্থায়ী কোন ভাতা ছাড়া। যদি আজ পর্যন্ত কোন মানুষ ন্যায়বিচারপূর্ণ স্বর্গীয় শাসন করে থাকে, তবে সেটা ছিলেন মুহাম্মদ।
Dr. Gustav Weil in ‘History of the Islamic Peoples’
মুহাম্মদ ছিলেন তাঁর অনুসারীদের জন্য জাজ্বল্যমান দৃষ্টান্ত। তাঁর চরিত্র ছিল নিষ্কলুষ এবং দৃঢ়। তাঁর গৃহ, পোষাক, খাদ্য- সবই ছিল অতি সাধারণ। তিনি এতই নিরহংকার ছিলেন যে তাঁর সংগীদের কাছ থেকে বিশেষ কোন সম্মান গ্রহণ করতেন না কিংবা যে কাজ তিনি নিজে করতে পারতেন তাঁর জন্য অযথা ভৃত্যের সাহায্য নিতেন না। সবসময় সবার জন্য তাঁর দ্বার ছিল উন্মুক্ত ছিল। তিনি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন এবং সবার প্রতি তাঁর অপরিসীম সহানুভূতি ছিল। তাঁর বদান্যতা ও মহানুভবতা ছিলো অসীম, সেইসাথে তিনি সবসময় অনুসরীদের মংগলের কথা চিন্তা করতেন।
মুহাম্মদ ছিলেন তাঁর অনুসারীদের জন্য জাজ্বল্যমান দৃষ্টান্ত। তাঁর চরিত্র ছিল নিষ্কলুষ এবং দৃঢ়। তাঁর গৃহ, পোষাক, খাদ্য- সবই ছিল অতি সাধারণ। তিনি এতই নিরহংকার ছিলেন যে তাঁর সংগীদের কাছ থেকে বিশেষ কোন সম্মান গ্রহণ করতেন না কিংবা যে কাজ তিনি নিজে করতে পারতেন তাঁর জন্য অযথা ভৃত্যের সাহায্য নিতেন না। সবসময় সবার জন্য তাঁর দ্বার ছিল উন্মুক্ত ছিল। তিনি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যেতেন এবং সবার প্রতি তাঁর অপরিসীম সহানুভূতি ছিল। তাঁর বদান্যতা ও মহানুভবতা ছিলো অসীম, সেইসাথে তিনি সবসময় অনুসরীদের মংগলের কথা চিন্তা করতেন।
J.W.H. Stab in ‘Islam and its Founder’
তাঁর কাজের সীমা এবং স্থায়িত্ব বিবেচনা করলে শুধু মক্কার নবী হিসেবে নয় পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি আরও দীপ্তিময়ভাবে জ্বলজ্বল করছেন। …..মানুষের বিখ্যাত হওয়ার মাপকাঠি অনুসারে বিচার করলে তাঁর সাথে অন্য কোন মরণশীলের খ্যাতি তুলনীয় হতে পারে কি ?
তাঁর কাজের সীমা এবং স্থায়িত্ব বিবেচনা করলে শুধু মক্কার নবী হিসেবে নয় পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি আরও দীপ্তিময়ভাবে জ্বলজ্বল করছেন। …..মানুষের বিখ্যাত হওয়ার মাপকাঠি অনুসারে বিচার করলে তাঁর সাথে অন্য কোন মরণশীলের খ্যাতি তুলনীয় হতে পারে কি ?
Washington Irving in ‘Life of Muhammad,’ New York,1920.
মুহাম্মদের সামরিক বিজয় তাঁর মাঝে কোন গর্ব ও অযথা দম্ভ জাগায়নি। প্রতিকূল দিনগুলোতে তাঁর আচার-ব্যবহার ও পোষাক-আশাক যেরকম সাধারণ ছিলো সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার পরও তা তিনি বজায় রেখেছিলে। রাজকীয় জাঁকজমক দূরে থাক, এমনকি কক্ষে ঢোকার পর তাঁর প্রতি কেউ বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করলে তিনি রেগে যেতেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভালোবাসার পাত্র কারণ সবাইকেই তিনি আতিথেয়তার সাথে গ্রহণ করতেন এবং মনোযোগ সহকারে তাদের অভিযোগ শুনতেন। ব্যক্তিগত লেন-দেনের ক্ষেত্রে ছিলেন ন্যায়পরায়ণ । বন্ধু-আগন্তুক, ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল সবার সাথে সমতার সাথে ব্যবহার করতেন।
মুহাম্মদের সামরিক বিজয় তাঁর মাঝে কোন গর্ব ও অযথা দম্ভ জাগায়নি। প্রতিকূল দিনগুলোতে তাঁর আচার-ব্যবহার ও পোষাক-আশাক যেরকম সাধারণ ছিলো সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার পরও তা তিনি বজায় রেখেছিলে। রাজকীয় জাঁকজমক দূরে থাক, এমনকি কক্ষে ঢোকার পর তাঁর প্রতি কেউ বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করলে তিনি রেগে যেতেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভালোবাসার পাত্র কারণ সবাইকেই তিনি আতিথেয়তার সাথে গ্রহণ করতেন এবং মনোযোগ সহকারে তাদের অভিযোগ শুনতেন। ব্যক্তিগত লেন-দেনের ক্ষেত্রে ছিলেন ন্যায়পরায়ণ । বন্ধু-আগন্তুক, ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল সবার সাথে সমতার সাথে ব্যবহার করতেন।
Arthur Glyn Leonard in ‘Islam, Her Moral and Spiritual Values’
এটা ছিলো মুহাম্মদের মেধা, যে উদ্দীপনা তিনি ইসলামের মাধ্যমে আরবদের মাঝে সঞ্চারিত করেছিলেন তা তাদেরকে সুউচ্চ স্থানে আসন দিয়েছিল। যা তাদেরকে জড়তা ও গোত্রীয় সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে জাতীয় ঐক্যের সুমহান নিদর্শন গড়তে এবং সাম্রাজ্য গড়তে সাহায্য করেছিল। সেটা ছিলো মুহাম্মদের সমীহ উদ্রেককারী একত্ববাদ, সরলতা, মিতাচার এবং অকৃত্রিমতা যা আদর্শের প্রতি প্রতিষ্ঠাতার বিশ্বস্ততাকেই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, যা তাদের নৈতিকতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে শাণিত করেছিল।
এটা ছিলো মুহাম্মদের মেধা, যে উদ্দীপনা তিনি ইসলামের মাধ্যমে আরবদের মাঝে সঞ্চারিত করেছিলেন তা তাদেরকে সুউচ্চ স্থানে আসন দিয়েছিল। যা তাদেরকে জড়তা ও গোত্রীয় সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে জাতীয় ঐক্যের সুমহান নিদর্শন গড়তে এবং সাম্রাজ্য গড়তে সাহায্য করেছিল। সেটা ছিলো মুহাম্মদের সমীহ উদ্রেককারী একত্ববাদ, সরলতা, মিতাচার এবং অকৃত্রিমতা যা আদর্শের প্রতি প্রতিষ্ঠাতার বিশ্বস্ততাকেই বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, যা তাদের নৈতিকতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে শাণিত করেছিল।
James Michener in ‘Islam: The Misunderstood Religion,’ Reader’s Digest, May 1955, pp. 68-70.
ইতিহাসে আর কোন ধর্মই ইসলামের মতো এত দ্রুত বিস্তার লাভ করেনি। পাশ্চাত্যে এ বিশ্বাস অত্যন্ত দৃঢ়মূল যে ইসলামের এই প্রসার তরবারীর জোরেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আধুনিক কোন বিজ্ঞজনই এ ধারণাকে গ্রহণ করেননি, এবং কোরআনেও বিবেকের/চিন্তার স্বাধীনতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ, যে অনুপ্রাণিত মানুষটি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের একটি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন যারা ছিল মূর্তিপূজক। জন্মের সময়ই এতিম হয়েছিলেন, তিনি সবসময় অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, এতিম, দাস ও নিপীড়িত যারা তাদের জন্য উৎকন্ঠিত থাকতেন। বিশ বছর বয়সেই তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন, এবং শিগগিরই বিধবা একজন মহিলার বাণিজ্য কাফেলার পরিচালক হন। যখন তিনি ২৫ বছর বয়সে উপনীত হন তাঁর নিয়োগকত্রী তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে বিবাহের প্রস্তাব দেন। যদিও তিনি পঁচিশ বছরের বড় ছিলেন, তবু মুহাম্মদ তাঁকে বিবাহ করেন এবং যতদিন পর্যন্ত তিনি(খাদিজা) বেঁচে ছিলেন তাঁর প্রতি নিবেদিত ছিলেন।
তাঁর পূর্ববর্তী বেশিরভাগ নবীদের মতই মুহাম্মদ তাঁর সীমাবদ্ধতা/অক্ষমতা বিবেচনা করে স্রষ্টার বার্তাবাহক হিসেবে দায়িত্ব পালনে অপরাগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু স্বর্গীয় দূত আদেশ করলেন “পড়” । আমরা যতটুকু জানি মুহাম্মদ লিখতে কিংবা পড়তে জানতেন না, কিন্তু তিনি সেই উদ্দীপনাময় শব্দগুলো উচ্চারণ করতে শুরু করেন যা অচিরেই পৃথিবীর একটা বৃহৎ অংশে আমূল পরিবর্তন সাধন করবে : ” আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই” ।
মুহাম্মদের নিজের মৃত্যুর পর তাঁর ওপর দেবত্ব আরোপের একটি চেষ্টা চলেছিল, কিন্তু যিনি তাঁর পরে প্রশাসনিক উত্তরসূরী হওয়ার কথা ছিল তিনি এই অপধারণাকে সমূলে ধ্বংস করে দেন ধর্মের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বক্তৃতার মাধ্যমে : ” যদি তোমাদের মধ্যে এমন কেউ থেকে থাকে যে মুহাম্মদের পূজা করতো, তবে সে জেনে রাখুক মুহাম্মদ মারা গেছেন। কিন্তু যারা আল্লাহর উপাসনা করতো তাদের জানা উচিত, তিনি চিরন্জীব ” ।
ইতিহাসে আর কোন ধর্মই ইসলামের মতো এত দ্রুত বিস্তার লাভ করেনি। পাশ্চাত্যে এ বিশ্বাস অত্যন্ত দৃঢ়মূল যে ইসলামের এই প্রসার তরবারীর জোরেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আধুনিক কোন বিজ্ঞজনই এ ধারণাকে গ্রহণ করেননি, এবং কোরআনেও বিবেকের/চিন্তার স্বাধীনতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ, যে অনুপ্রাণিত মানুষটি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের একটি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন যারা ছিল মূর্তিপূজক। জন্মের সময়ই এতিম হয়েছিলেন, তিনি সবসময় অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, এতিম, দাস ও নিপীড়িত যারা তাদের জন্য উৎকন্ঠিত থাকতেন। বিশ বছর বয়সেই তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন, এবং শিগগিরই বিধবা একজন মহিলার বাণিজ্য কাফেলার পরিচালক হন। যখন তিনি ২৫ বছর বয়সে উপনীত হন তাঁর নিয়োগকত্রী তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে বিবাহের প্রস্তাব দেন। যদিও তিনি পঁচিশ বছরের বড় ছিলেন, তবু মুহাম্মদ তাঁকে বিবাহ করেন এবং যতদিন পর্যন্ত তিনি(খাদিজা) বেঁচে ছিলেন তাঁর প্রতি নিবেদিত ছিলেন।
তাঁর পূর্ববর্তী বেশিরভাগ নবীদের মতই মুহাম্মদ তাঁর সীমাবদ্ধতা/অক্ষমতা বিবেচনা করে স্রষ্টার বার্তাবাহক হিসেবে দায়িত্ব পালনে অপরাগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু স্বর্গীয় দূত আদেশ করলেন “পড়” । আমরা যতটুকু জানি মুহাম্মদ লিখতে কিংবা পড়তে জানতেন না, কিন্তু তিনি সেই উদ্দীপনাময় শব্দগুলো উচ্চারণ করতে শুরু করেন যা অচিরেই পৃথিবীর একটা বৃহৎ অংশে আমূল পরিবর্তন সাধন করবে : ” আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই” ।
মুহাম্মদের নিজের মৃত্যুর পর তাঁর ওপর দেবত্ব আরোপের একটি চেষ্টা চলেছিল, কিন্তু যিনি তাঁর পরে প্রশাসনিক উত্তরসূরী হওয়ার কথা ছিল তিনি এই অপধারণাকে সমূলে ধ্বংস করে দেন ধর্মের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বক্তৃতার মাধ্যমে : ” যদি তোমাদের মধ্যে এমন কেউ থেকে থাকে যে মুহাম্মদের পূজা করতো, তবে সে জেনে রাখুক মুহাম্মদ মারা গেছেন। কিন্তু যারা আল্লাহর উপাসনা করতো তাদের জানা উচিত, তিনি চিরন্জীব ” ।
১৬২ টি মন্তব্য : “মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব”
বার্নাড শ ধর্মীয় ব্যাপারে বেশ কিছু গল্প লিখেছেন যা পড়লে এ ধরনের মন্তব্য গেলা একটু কষ্টকর হয়। সে যাই হোক আমি দুটো লিঙ্ক দিচ্ছি।
আমি নিশ্চিত ভাবেই চোখ বন্ধ করে বলতে পারি যে সেখানেও ঝামেলা আছে,থাকবে কিংবা যূক্তি থাকবে।
আমি যাদের উদ্ধৃতি এখানে দিয়েছি তাঁদের বেশিরভাগই অমুসলিম এবং অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোন ধর্মে বিশ্বাস করতেন না। ইসলামের অনেক ব্যাপারেই তাদের প্রশ্ন আছে এবং তারা সমালোচনা করতেও ছাড়েননি। এসব মণিষীদের অনেকেই মুহাম্মদকে নবী হিসেবেও স্বীকার করেননি। কিন্তু ব্যক্তি মুহাম্মদ সম্পর্কে তাঁরা কি ভাবতেন তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
আপনি বোধ হয় লিঙ্ক দুটো পড়ে দেখেননি। দেখলে এসব কথা বলতেন না।
বার্নাড শ এর এ উক্তি মুসল্মান্দের খুবই প্রিয়। সমস্যা হচ্ছে "Genuine Islam" নামে কোনো বই নেই। এটা একটা ম্যাগাজিন যা প্রকাশিত হয়েছে একবার, তাই অলভ্য এবং সেখানে বার্নাড শ এর ইন্টারভিউ থাকলেও এ ধরনের কোনো কথা নেই (এ উতসটিও আমি আপনাকে দিয়েছি)। দয়া করে পড়ুন লিঙ্ক দুটো, পিলিজ।
আপনি যে বই মিলিয়েছেন তা আমি নিজেও বুঝতে পারছি। সমস্যাটা হচ্ছে বার্নাড শ এই কথা কবে কোথায় বলেছেন তাই তো মুস্লিম্রা বলতে আগ্রহী নন!!!!!!
James Michener in ‘Islam: The Misunderstood Religion,’ Reader’s Digest, May 1955, pp. 68-70.
Jules Masserman in ‘Who Were Histories Great Leaders?’ in TIME Magazine, July 15, 197.
এই সাইটে ক্লিক কর-- http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,879377-3,00.html
আমি যাদের উদ্ধৃতি এখানে দিয়েছি তাঁদের বেশিরভাগই অমুসলিম এবং অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোন ধর্মে বিশ্বাস করতেন না। ইসলামের অনেক ব্যাপারেই তাদের প্রশ্ন আছে এবং তারা সমালোচনা করতেও ছাড়েননি। এসব মণিষীদের অনেকেই মুহাম্মদকে নবী হিসেবেও স্বীকার করেননি। কিন্তু ব্যক্তি মুহাম্মদ সম্পর্কে তাঁরা কি ভাবতেন তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
আসুন দেখা যাক কেনো।
Interview, (April 1935), as quoted in The Genuine Islam, Vol. 1 (January 1936), and "Being an Unforgivably Protracted Debunking of George Bernard Shaw’s Views of Islam" (3 December 2008) by Rachel Loew; Loew states that there are many paraphrased and abbreviated versions of this statement online, and that it does not actually appear in the body of the interview itself, but only in a separate quote box. A portion of the statement also appears quoted in The Islamic Review, Vol. 24 (1936) edited by Khwaja Kamal-ud-Din, p. 263
I hold the Prophet of Arabia in great esteem and I can quite understand that it would have been impossible to restrain and wean that illiterate and perverse race, sunk in the miasma of utter moral depravity, from committing the most heinous of crimes, and imbue its people with enthusiasm to strive after righteousness and assimilate high morals and virtues, without projecting such a terrible and intensely awe inspiring spectacle of Hell and an equally captivating and enticing image of a land flowing with milk and honey to represent Heaven before their vision.
Interview, (April 1935) in The Genuine Islam, Vol. 1, No. 8 (1936), as quoted at "A Shavian and a Theologian"
- মডারেটর
এইভাবে বলা ঠিক না। হয়তো তোমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস এটাই, কিন্তু কথাটা মুসলিমদের আহত করবে।
মডারেটরদের অনুরোধ করছি মন্তব্যটা সম্পাদনা করার।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
দূঃখিত। সমস্যা হচ্ছে এসব ব্যাপার স্যাপার দেখলে আমার ই মাঝে মাঝে নিহত হয়ে যেতে ইচ্ছে করে।
বার্নাড শ এ কথাটি কোনো কালেই কখনো বলেননি। হঠাত করে ১৯৩৬ এ ইস্লামিক রিভিউ তে তার আগের বছর একটি সাক্ষাতকারকে উতস ধরে তা লিখে দেয়া হয়। সে ম্যাগাজিনটিও ছিলো এমনি যে তার একটি সংখ্যা প্রকাশিত হওয়ার পরে আর কখনো প্রাকশিত হয়নি। ইদানীং উতস ধরা হয় সে ইস্লামিক রিভিউকেই। সাম্প্রতিক কালে একজন সে ইন্টারভিউটি সংগ্রহ করলে ব্যাপারটি ধরা পড়ে।
এখন আপনি আমাকে বলুন কেনো মুস্লিম্রা মিথ্যাবাদী নয়?
এটা নিয়ে উনার যদি এতো মাথা ব্যাথাই হয় তবে কেউ যদি কোরান শ্যরীফ উল্লেখ করে বলে যে "কামের বেটি লাগানো হালাল/জায়েজ" তবে সেটা কেনো অসততা হবে?!!!!!!
আমাদের বেশিরভাগেরই এমন সীমাবদ্ধতা আছে। বিশেষ করে ধর্ম বিষয়ক পড়াশুনায়।
কি করবা বলো, সব দেখে শুনেও মাঝে মাঝে চুপ থাকতে হয়, মুখে লাগাম দিয়ে রাখতে হয়। নইলে ধর্মের খড়গ নেমে আসে।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
The writer of this work is well known to me, and the reader can be sure the learned writer has caught the true atmosphere. His Eminence Mohammed Abdul Aleem Siddiqui, is also well known to me and I can well imagine the scene, when Shaw from being the scoffer came gradually to be infected with the dynamic energy and sincerity of purpose of the famous Muslim divine. The only thing I wish to complain about is the shortness of the interview. But I suppose one cannot expect anything that is really good in very large doses in this world.
আবার ১৯৩৬ এর জুলাই সংখ্যায় The Islamic Review তে তিনি বার্নাড শ'র উদ্ধৃতি দিয়ে ২৬২ ও ২৬৩ পৃষ্ঠায় লেখেন--
"I have always held the religion of Muhammad in high estimation because of its wonderful vitality. It is the only religion which appears to me to possess that assimilating capacity to the changing phase of existence which can make itself appeal to every age........ But the Europe of the present century is far advanced. It is beginning to be enamoured of the creed of Muhammad." In that extract he(Shaw) admitted that "The medieval ecclesiastics, either through ignorance or bigotry, painted Muhammadanism in the darkest colours. They were in fact trained both to hate the man Muhammad and his religion. To them Muhammad was Anti-Christ. I have studied him — the wonderful man, and in my opinion far from being an Anti-Christ he must be called the Saviour of Humanity. "
M.T. Akbar,K.C. তাঁর Islamic Review এর লেখায় কোন সোর্স উল্লেখ করেননি। আর যদি তাঁর লেখার সোর্স ১৯৩৫ সালের ইন্টারভিউটাই হয়ে থাকে তবে মাত্র ১ বছরের মাথায় তা বেমালুম ভূলে গিয়ে মুহাম্মদের প্রশস্তিগাঁথা কেন যোগ করতে যাবে ? আকবর সাহেবের তো ধরা খাওয়ার যথেষ্ট চান্স ছিলো। আর পশ্চিমারা কি এতই বোকা যে এই মিথ্যা এতদিন ধরে মেনে নিয়েছে ? ইন্টারভিউটা পূর্ণাংগভাবে এসেছে কিনা তাও দেখার ব্যাপার আছে। মি. আকবরের ইসলামিক রিভিউ'র লেখাটা পড়তে চাইলে--
http://docs.google.com/viewer?a=v&q=cache:-241MQz0SAUJ:www.wokingmuslim.org/work/islamic-review/1936/jul36.pdf+M.T.+Akbar,K.C.,B.A.,L.L.B.&hl=en&pid=bl&srcid=ADGEESiEUeGUMyxj8QH5yR9Ev531j78f8rOGgkdWmZ7sEBIh0dAYbDq1I1pGUtAd8PS6RGavjEotQnF-wQ6Di-nCDhY7iLnVyKuvOtl3haNFEYNtUHPt5Sq0jQR1LTPZJf8ydnAd6FYg&sig=AHIEtbRnd3XI-9CwFnhLKQn_PZlelP9KRw
বার্নাড শ' না হয় গেল, অন্য কোটগুলোর ব্যাপারেও কি সমস্যা আছে ?
"ধার্মিক মাত্রই ছাগল, তাই তাদেরকে ঘাস খেতে দিলেও এখানে সেখানে ল্যাদানোর অধিকার দিয়োনা। তাতে পরিবেশ এর ভারসাম্য নষ্ট হয়"
(বিজ্ঞ মডারেটর আপনি চাইলে আমার বাসায় এসে দিনলিপি দেখে যেতে পারেন অথবা আমি স্ক্যান করে এখানে আপলোড করতে পারি।
বার্নাড শ এর উপরোক্ত মন্তব্য যদি এখানে থাকে তবে আমারটাও রাখতে হবে। নইলে আমার পরিবেশোনূভূতি আহত হবে এবং আমি জানি জনসাধারনের অনুভূতি রক্ষাই আপনার অন্যতম মহান দায়িত্ব। নইলে আমি কিন্তু মনের দূ;খে কান্নাকাটি করবো। )
আমার ব্যক্তিগত অভিমত অনুযায়ী, সিসিবি কেবল মাত্র একটি ব্লগ হিসেবেই আমাদের কাছে প্রাধান্য পায় না; আমাদের অনেকের কাছেই এটা পরিবারের মতো। এবং এখানে স্বাধীনভাবে সিনিয়র কিংবা জুনিয়র এর সাথে বিতর্ক চালিয়ে যাবার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ভাইয়া আমরা আমাদের স্বাভাবিক সৌজন্যবোধটুকু এঁড়িয়ে যাবো (আমি নিজেই হয়তো এই মুহূর্তে খানিকটা অমার্জিত আচরণ করছি, ক্ষমা চেয়ে নিলাম)।
ভাইয়া, কারো আচরনে শ্রদ্ধা যদি না করতে পারেন তাতে দোষের কিছু নেই; কিন্তু অশ্রদ্ধা না করাটাই কি মঙ্গলজনক নয়??
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
কামলা খেটে যাই
সাবধান। খুউব খিয়াল কইরা।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
শুধুমাত্র যা বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, আমরা যদি মুহাম্মদকে সামান্য পরিমাণও বুঝতে চাই তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সততা ও ন্যায়পরায়ণতা সহকারে তাঁকে বিচার করতে হবে। আমরা যদি আমাদের অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভূলগুলো সংশোধন করতে চাই তবে এটা ভূলে গেলে চলবে না যে চুড়ান্ত প্রমাণ আপাতদৃষ্টিতে যা সত্য বলে প্রতীয়মান হয় তারচেয়ে অনেক কঠিন শর্ত। এবং এই ব্যাপারে প্রমাণ অর্জন সত্যিই দু:সাধ্য হবে।
এ লোকটিকে (মুহাম্মদ) ঘিরে যে মিথ্যাগুলো (পশ্চিমা অপবাদ) পূন্জীভূত হয়ে আছে- যার ভালো অর্থ হতে পারে ধর্মান্ধতা, তা আমাদের নিজেদের জন্যই লজ্জাজনক।
কামলা খেটে যাই
আপনি শুরুতেই ভূল বুঝেছেন যে আমি ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্যে এই পোস্ট দিয়েছি। আমি যাদের উদ্ধৃতি এখানে দিয়েছি তাঁদের বেশিরভাগই অমুসলিম এবং অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোন ধর্মে বিশ্বাস করতেন না। ইসলামের অনেক ব্যাপারেই তাদের প্রশ্ন আছে এবং তারা সমালোচনা করতেও ছাড়েননি। এসব মণিষীদের অনেকেই মুহাম্মদকে নবী হিসেবেও স্বীকার করেননি। কিন্তু ব্যক্তি মুহাম্মদ সম্পর্কে তাঁরা কি ভাবতেন তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
আর বর্তমান বিশ্বে ধর্ম দিন-দিন শক্তিশালী বিষয় হয়ে উঠছে, তা আমরা যতই মুখ ফিরিয়ে রাখি না কেন। হান্টিংটনের মতে ঊনবিংশ শতাব্দিতে যে ধর্মকে আধুনিক বিশ্ব প্রায় বাতিল বলে রায় দিয়ে দিয়েছিলো, একবিংশ শতাব্দিতে এসে তা আমাদের ওপর প্রতিষোধ নিচ্ছে। তো ক্যাডেটরাও এ আলোচনা থেকে দূরে থাকবে কেন ? পজিটিভ আলোচনার মাধ্যমে ভালো কিছু নিশ্চয় বের হয়ে আসবে। নিজেদের প্রগতিমনস্ক ও অন্যদের থেকে উন্নত মেধার ভেবে আলাদা হয়ে থাকলে তা আমাদের ভবিষ্যতের জন্যই ভালো হবে না। আর আমি জানি না এই পোস্ট সিসিবি ব্লগের মান কতটা ক্ষুন্ন করেছে !!
ধার্মিক মানুষ মাত্রই সন্ত্রাসী কেউ বলছে? উপরে কোথাও দেখলাম না বা আমিও মনে করি না। তাহলে তো আমার নিজের বাবা সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
যাই হোক, আন্দালিবের করা কমেন্টের সারকাস্টিক অংশ বাদ দিলে ---
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিরপেক্ষভাবেও বিচার করতে বলা হয়,তাঁর মতন মহানুভবতার উদাহরন পৃথিবীর কয়জন মানুষ দিতে পেরেছে তা নিয়ে আমার যঠেষ্টই সন্দেহ আছে।এত কঠিন রকমের অত্যাচার করার পরেও,এত অপকার করার পরেও তিনি মানুষের প্রতি সর্বদাই সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।এরকম উদাহরন এই দুনিয়ার আরও কতজন জ্ঞানী-গুনী মানবতাবাদীরা স্থাপন করেছেন জানতে খুব ইচ্ছে হয়।
(এটা আমার সম্পূর্নই ব্যক্তিগত মতামত)
মুসলিম ধর্মালম্বীরা জোর করে অন্যদের উপর চাপিয়ে দিতে চায় এবং সেগুলোকে বর্তমানের প্রেক্ষিতেও সঠিক বলে প্রচারের অপপ্রয়াস চালায়।শুধু তা-ই নয়, বিজ্ঞানীদের সারা জীবনের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফসল যে আবিষ্কারগুলো সেগুলোকেও কুরআনের অবদান বলে প্রচার করার মাধ্যমে বিজ্ঞান সাধনার প্রতি চরম অপমান প্রকাশ করে।আমরা যারা নিধর্মী,আমাদের আপত্তিটা ঠিক এখানেই।
আপনার এই তথ্যের মাধ্যমে মহানবী (স) সম্পর্কে আমি যা বলেছি তাতে কোন ভুলটি ধরা পড়ে একটু বলবেন কি জনাব? জুবাইর ইবন মুতাআম ৬ বছরের বালিকা বিবি আয়েশাকে মহানবীর আগে প্রপোজ করলেই মহানবীর এই বালিকা-বিবাহ জায়েজ হয়ে গেল? মহানবী(স)সম্পর্কে আমি যা বলেছি তা পড়েননি বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে,তারপরেও আপনার সুবিধার্থে পুনরায় কপিপেস্ট করছিঃ
কিন্তু নবীজি তো তাঁর ভবিষ্যত অনুসারীদের জন্য কোন নিয়ম বেঁধে দেননি যে কম বয়সের মেয়ে বিবাহ করতেই হবে। কোরান ও হাদিস অনুসারে বর্তমান যুগের জন্য যা প্রাসংগিক তাই গ্রহণীয়। তবে শর্ত হলো অবশ্যই কোরান ও সুন্নাহর সীমার মধ্যে থাকতে হবে। কোরান ও সুন্নাহর সীমার মধ্যে যেকোন পরিবর্তনকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়-এ জন্যই ইসলামে ইজমা ও কিয়াসের বিধান আছে। মহানবী (স: ) গাড়ীতে চড়েননি, তাই বলে কি বর্তমান যুগের মুসলমানরাও কি গাড়ীতে চড়বে না ? ব্যাপারটা সেরকম না।
মারেফুল কোরআনের সপ্তম খন্ড পৃষ্ঠা ১৪১ থেকে ১৫১ পর্যন্ত পড়লেই আপনার ভূল ধারণা অপনোদন হয়ে যাবে। বৃহত কলেবরের কারণে লিখতে পারলাম না। নিম্নোক্ত লিংকে মারেফুল কোরান ডাউনলোড/পড়তে পারবেন-
http://www.banglakitab.com (মুসলিম উৎস বলে আবার অবিশ্বাস করবেন না যেন)
প্রথমত আসি হযরত জয়নাবকে বিবাহের বেলায়। বাধ্য হয়ে আবারো চর্বণ করছি, জয়নাবের সাথে জায়েদের বিয়ে মুহাম্মদ-ই দিয়েছিলেন। আপনি বলছেন--"নিজের পালক পুত্রের স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ"। মুহাম্মদ (স: ) এর যদি জয়নাবের প্রতি আকর্ষণ থেকেই থাকে তাহলে কেন নিজে আগে জায়েদের সাথে জয়নাবের বিয়ে দিতে গেলেন। জয়নাবকে তো তিনিই বিয়ে করতে পারতেন, তাঁর সামনে তো কোন বাধা ছিলো না। যে জিনিস তিনি অতি সহজে পাচ্ছেন তা সাত-পাঁচ করে দখলের দরকার ছিলো না। আপনি মনে হয় মারেফুল কোরানের লিংকটা পড়েননি। তাই আবার দিলাম। দয়া করে পড়ুন এবং কারণটা জানুন--- http://www.banglakitab.com/quran.htm
মুহাম্মদ আসলেই পেডোফাইল ছিলেন কিনা তা যুক্তির নিরিখেও যাচাই করে দেখুন---http://www.themodernreligion.com/prophet/prophet_aisha.htm
www.themodernreligion.com/prophet/prophet_aisha.htm
২) মানব সমাজে অসাধারণ ব্যক্তিবর্গের ইতিহাস সম্পর্কে ক-অক্ষরে গোমাংস।
ব্যাপারটি তখনও অমানবিক ছিলো, এখনো তাই। তখন খুব কমজনেরই তার বোধোদয় হয়েছে; এখন প্রায় সবারই এ বিষয়ে ধারণা আছে। একে সমাজব্যাবস্থা, ইতিহাস দিয়ে জাস্টিফায়েড করার দোহাই দেওয়ার মানে হলো নিজের বিবেক এবং চেতনাকেই অস্বীকার করা।
বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম সর্বদাই ঘৃণ্য; একে সমাজ, সময়ের দোহাই দিয়ে জাস্টিফায়েড করাকে আমি স্রেফ নৈতিকতা বিরোধী মনে করি। ইতিহাসের দলিল হিসেবে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ অনেক সমাজেই আমরা পাবো; তবে কোনো ঐতিহাসিককেই পাবোনা যে কিনা তা জাস্টিফায়েড করার চেষ্টা করেছেন।
এই কথাটা কতবার বলেছি হিসাব করতেও লজ্জা করছে আমার।মাহবুব যেমন উল্লেখ করে দিয়েছে- মহানবী (স) তাঁর যুগের সীমাবদ্ধতাকে উল্লেখ করতে পারেননি বলেই তাঁর নানা মহত্বকে মেনে নেয়া সত্বেও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অনুকরণীয় আদর্শ মানুষের মর্যাদা তাঁকে দিতে পারিনা।
আয়েশার সাথে নবিজীর বিবাহের মত সর্বজনগ্রাহ্য হাদীসটাকে যখন প্রশ্নবিদ্ধ করলেন তখন বলতে বাধ্য হচ্ছি আপনি মুসলিম হলেও হাদিস ভালভাবে পড়েননি(বুখারী শরীফের হাদিস,কুরআনের পর ইসলামে যার মর্যাদা সর্বাধিক-এখন আশা করি বলে বসবেন না আপনি "কুরআন অনলি" দের একজন-হাদিস মানেন না)
Narrated Abu Haraira: The Prophet said, “If a house fly falls into the drink of anyone of you, he should dip it (into the drink) because one of its wings has a disease and the other wing has the cure (for that disease).
বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম সর্বদাই ঘৃণ্য; একে সমাজ, সময়ের দোহাই দিয়ে জাস্টিফায়েড করাকে আমি স্রেফ নৈতিকতা বিরোধী মনে করি। ইতিহাসের দলিল হিসেবে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ অনেক সমাজেই আমরা পাবো; তবে কোনো ঐতিহাসিককেই পাবোনা যে কিনা তা জাস্টিফায়েড করার চেষ্টা করেছেন।
সমকামিতা এই বিংশ শতাব্দি পর্যন্তও খুবই ঘৃণ্য ব্যাপার ছিলো। আগের সমাজের কাছে এটা অত্যন্ত অনৈতিক গর্হিত কাজ হিসেবে বিবেচিত ছিলো(কিছু জনপদ ছাড়া)। কিন্তু বর্তমানে অনেক সমাজ একে স্বাভাবিক হিসেবে নিয়েছে, তো নৈতিকতার সুনির্দিষ্ট মানদন্ড আসলেই কি আছে ? বর্তমানে যে মানদন্ড সমাজবিজ্ঞানীরা স্থির করেছেন তা কি ভবিষ্যতেও একই থাকবে ?
ইন্নাল্লাহা মা'আস সবিরীন ....
কিছুদিন পর অনেক লেখা আসলো তখন বলা হলো লেখা যাবে
এখন দেখি কিছু ভাইয়া সিনিয়ার ভাইয়াদেরকেও হিসেব রেখে কথা বলতেসেনা
আর সাব্বির ভাই এর কিছু কমেন্টস খুব খারাপ লাগলো
এরকম কমেন্টস সি সি ব্লগে আশা করা যায়না
মরতুজা ভাই বললেন এই ব্লগে এসব লেখার যায়গা না
আমিও এটা সাপোর্ট করি কিন্তু সেই সাথে বলতে চাই ধর্মের পক্ষে বিপক্ষে কিছুই যেন বল্গে না দেয়া হয় তাহলে হয়তো আমরা সাব্বির ভাইয়ার মতন এসব কমেন্টস পাবোনা
ধন্যবাদ শহীদুল ভাই আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য 🙂
আপনার কথায় অবশ্যই যুক্তি আছে। বাণীগুলো ভালো লেগেছিল তাই শেয়ার করেছি ! আর কিছু না। ভালো থাকবেন।
মৃণালিনী দেবীর সাথে রবীন্দ্রনাথের বিয়ে হয় ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর, তখন রবীন্দ্রনাথের বয়স ২২ বছর, মৃণালিনীর ১০।
কস্তুরবাঈ এবং মহাত্মা গান্ধীর বিয়ের সময় উভয়েরই বয়স ছিল ১৩।
ঈশ্বরচন্দ্রের স্ত্রী'র নাম দীনময়ী দেবী, তাঁর জন্মসাল জানতে পারি নি, তবে ঈশ্বরচন্দ্রের বয়স ছিলো ১৪ বছর।
এখানে কারোরই তাঁদের স্ত্রীর সাথে বয়সের পার্থক্য (৫৬-৯) এরকম নয়। তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার হিসেবে সেটি গ্রহণযোগ্যই ছিলো। তাই আপনার উল্লেখিত ব্যক্তিদের সাথে মুহাম্মদ সঃ-এর তুলনা (বিয়ের ব্যাপারে) চলে না।
সেই সময়েও কি তাই ছিল? এটা আমার জানা নেই, কিন্তু এখানে অনেককে আমি না জেনে জাজ করার প্রবনতা দেখেছি, তাই কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। এখানে কি বয়সের পার্থক্যকে বাল্যবিবাহ বলা হচ্ছে নাকি কনের বয়সকে ধরা হচ্ছে। তুমি মনে হচ্ছে বয়সের পার্থক্যকেই বেশি ধরছ। তুমি যেহেতু ভারতের সমাজব্যবস্থা জান, তাই বলতে পার হ্যা উনবিংশ শতকে এখানে ১০ বছরেই সব মেয়েদের বিয়ে হত। তাই এতে কোনই অসুবিধা দেখছনা যে কোনো মানুষের বেলায়ই। কিন্তু সারা দুনিয়ায় ১৪০০ বছর আগে তখন কি নিয়ম ছিল, তুমি তা জান কি? সেই সময়ের বিচারে মুহম্মদ কি কোনো দোষের কাজ করেছিল? তাহলে কোনো রকম কোথাও কেন লেখা নেই সাহাবীদের কথায় বা কেন আবু বকর তার মেয়ের অন্য বিয়ের প্রপোসাল রেখে মুহম্মদকে মেয়ে বিয়ে দিয়েছিল। এবং এটা নিয়ে কারো কোনো ক্ষোভ নেই কেনো, ঐ সময়ের কোনো রকম কোনো লেখায়। মুহম্মদ পচিশ বছরে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেছিল। খাদিজা মারা যাওয়ার পরে, চার ভবিষ্যত খলিফার সাথে তার পার্মানেন্ট একটা বন্ধনের জন্য দুইখলিফাকে তিনি নিজের মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, আর দুজনের মেয়ে বিয়ে করেছেন। নিজের মেয়েদেরকেও তিনি তখনকার সময়ের নিয়ম অনুসারেই বিয়ে দিয়েছেন।
আমার মুলত একটা বিষয়ই বলতে বা বুঝাতে চাচ্ছি।ক্রুসেডের সময়কালীন থেকে প্রায় ৮০০ বছর ধরে ইউরোপীয় ভাষায় যত লেখা হয়েছে, সেখানে মুহম্মদকে 'evil' হিসেবে 'portray' করা হয়েছে। তারা তাদের সমাজব্যবস্থার প্রেক্ষিতে বা তাদের মত করে সবকিছু লিখেছে, interpter করেছে, প্রচার করেছে। এখনো সেই views গুলোকে নিয়ে অনেকেই বিভিন্নভাবে মুহম্মদকে ইভিল বানানোর চেষ্টা করে যেটা ভুল। তুমি বলতে পার, হ্যা আয়েশার সাথে বিয়ে, এখানে উনি সবকালের জন্য অনুকরনিয় কিছু করেনি, একালে এটা করা নীতিহীন, কিন্তু তাকে সেই সময়ের বিচারে ইভিল পোট্রে করা কি যায়? তাহলে ৬২০ থেকে ১১০০ সালের মধ্যে আরবদের লেখায় তার কাজের সমালোচনা কি থাকত না, যেটা ইউরোপীয়রা ক্রুসেডের পরে মুহম্মদকে শয়তান, মাহুন্দ নাম দিয়ে বিভিন্নভাবে লিখে প্রচার করেছে। সেই ভিউগুলোই এখনকার সময়ে অনেকেই মুহম্মদকে ডেমনাইজ করতে ব্যবহার করে, অনেক ব্যপারেই প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের কিছু মুল ভিন্নতাকে না বুঝে বা বায়াস থেকে মানুষ এগুলো করে থাকে।
আমি খুব দু:খিত। কিন্তু আমি কোথায় খোড়া যুক্তি দিয়েছি বুঝতে পারলাম না, আমি বলেছি আপেক্ষিকভাবে বিচার করতে হবে। তুমি বলেছ 'নির্মোহভাবে', কে কোথায় কবে 'নির্মোহভাবে' কি করেছে বলতে পারবে? তুমি উনবিংশ শতকের কয়েকজন ভারতবাসিদের ব্যাপারে বললে এরা ঠিকই করেছে। এটা কি 'নির্মোহভাবে' কিছু বলা হল? তুমি এই স্থান কালের হয়েই সেটা বলতে পার, এবং আমিও সেটা পারি, একজন পাশ্চাত্যের কেউ সেটা নাও বলতে পারে।
'মুহম্মদের চরিত্র সনদপত্র' পাশ্চাত্য থেকে নেয়ার ব্যাপারে আমি কিছু বলিনি। যদিও এই পোষ্টটা সেরকম। কিন্তু মুহম্মদের কাজ বা প্রভাব নিয়ে অল্প জানা লোকেরাও তাদের 'দুই পয়সা' দিতে দ্বিধা করেনা, এবং বায়াস্ড ভাবেই সেটা করে - পাশ্চাত্যের টিভি টক শো হোস্টরা সেটা অহরহই করে, এর সাথে তাদের অন্ধ অনুকরনকারী অনেক দেশী-বিদেশীরাও সেগুলো গেলে।
আমি ধার্মিক না, তবে ভালভাবেই জানি মহাকালের বিচারে মুহম্মদ কি জিনিয়াস ও মহামানব ছিল, হতে পারে এখনকার সময়ে কিছু কিছু ব্যাপারে আমরা রিলেট করতে পারি না বা অননুকরনিয় লাগে, কিন্তু আমি কোনো ইভিলনেসের কিছুই কোথাও দেখছি না। এ ব্যাপারে পুরোপুরি বামে বা ডানে না থেকে বিচার করতে হবে। অল্প জেনে নয়, বর্তমান সময় জেনে পুর্বের সময়কে নয়, আমেরিকা জেনে বাংলাদেশ নয়, কাউকে অপছন্দ করে তার ধর্মপ্রচারককে নিয়ে নয়।
২) বক্তা এ বিষয়ে যুক্তি দিলেও তার জীবনের বাকি অনেক ক্ষেত্রেই সে যুক্তি ব্যবহার করবেনা/করেনা বলে নিশ্চিত রায় দিয়ে তাকে ভন্ডের অপবাদ দেয়া।
৩) অন্য অনেকের জ্ঞানকে যথাযথ এবং সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না দিয়ে "দুই পয়সার" বলে অভিহিত করা।
৪) মুক্তমনা এবং জামাতিদেরকে "স্বার্থে টান লাগলে সবাই এক" টাইপের ওভার-জেনারালাইজেশনের মাধ্যমে এক কাতারে ফেলা।
:duel:
প্রথমত আসি হযরত জয়নাবকে বিবাহের বেলায়। বাধ্য হয়ে আবারো চর্বণ করছি, জয়নাবের সাথে জায়েদের বিয়ে মুহাম্মদ-ই দিয়েছিলেন। আপনি বলছেন–”নিজের পালক পুত্রের স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ”। মুহাম্মদ (স: ) এর যদি জয়নাবের প্রতি আকর্ষণ থেকেই থাকে তাহলে কেন নিজে আগে জায়েদের সাথে জয়নাবের বিয়ে দিতে গেলেন। জয়নাবকে তো তিনিই বিয়ে করতে পারতেন, তাঁর সামনে তো কোন বাধা ছিলো না। যে জিনিস তিনি অতি সহজে পাচ্ছেন তা সাত-পাঁচ করে দখলের দরকার ছিলো না। আপনি মনে হয় মারেফুল কোরানের লিংকটা পড়েননি। তাই আবার দিলাম। দয়া করে পড়ুন এবং কারণটা জানুন— http://www.banglakitab.com/quran.htm
মুহাম্মদ আসলেই পেডোফাইল ছিলেন কিনা তা যুক্তির নিরিখেও যাচাই করে দেখুন—www.themodernreligion.com/prophet/prophet_aisha.htm
http://www.themodernreligion.com/prophet/prophet_aisha.htm
-----Sheikh Faysal Mawlawi, deputy chairman of the European Council for Fatwa and Research।
-----Sheikh Faysal Mawlawi, deputy chairman of the European Council for Fatwa and Research..
ওয়েল এন্ড গুড।
ধর্মের (স্পেশালি ইসলামের) বিরুদ্ধে কিছু লিখলে কিংবা ধর্মকে ব্যঙ্গ করিয়া কার্টুন আঁকিলে উহাকে সায়েন্স বলে এবং উহা ব্লগে অ্যালাউড।
ধন্যবাদ এন্ড খুদাপেজ।
কাউকে তো দেখি না হিন্দু প্রথা,ইহুদী প্রথা,ক্রিষ্টান culture নিয়ে সমালোচনা করে কিছু লিখতে।নাস্তিকতা,ধর্মে অবিশ্বাস যদি থেকেই থাকে তাহলে সব ধর্মের সীমাবদ্বতা নিয়ে লিখা উচিত।কিন্তু যা দেখা যায়,সব দোষ ইসলামের নামেই উঠানো হয়।ইসলামের নামে কটাক্ষ করে লেখা রীতিমত ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে।
(ভাবতেছি শয়তানের উপাসকদের পক্ষে লেখা শুরু করিতে হবে,ব্লগে এই ক্যাটাগরির লোক নাই বললেই চলে,এইটা আরো আপডেটেড ক্যাটাগরি 😀 😀 😀 )
তোর ধর্মের সাথে ক্রিকেট মিশিয়ে খিচুড়ি বানানোর যুক্তিটা প্রথমেই আমার কাছে হাস্যকর লাগলো।যাই হোক,বাংলাদেশ কেমন খেলে,গতকালও কেমন খেলল,তা নিয়ে সমালোচনা না করার কারন নাই।অন্য দলগুলি খারাপ খেললে তুই বলতে চাস আমরা সমালোচনা করি না??শ্রীলংকা যখন ৩০০ এর উপর রান করে,তারপর যখন ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছে বেধড়ক বাড়ি খায়,আমরা কি বলি না, ুয়ের মত বোলিং হইতেছে????আফ্রিকা যখন সেমিফাইনালে বার বার ধরা খায়,তখন কি তাদের নিয়ে সমালোচনা করি না,তাদেরকে পচানি দেই না?
যাই হোক,যতটা জানি,তোদের কাছে আসল ধর্ম মানে মানব ধর্ম।মানবতাই যদি তোদের কাছে আসল মনে হয়,তাহলে সারা দুনিয়ায় অন্যায়ভাবে কিভাবে মানুষ হত্যা হচ্ছে,অত্যাচার হচ্ছে সেগুলি নিয়া সমালোচনা কর!ইরাকে,প্যালেষ্টাইনে এত এত মানুষ মারা যাচ্ছে,সেগুলির বিপক্ষে লেখা দাঁড়া করা!নাকি ধরে নিব,তাঁরা কোরান বিশ্বাসী মুসলিম বলে তাঁদের মৃত্যু নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই?
এসব কারনেই অনেক ফালতু লেখা চোখে পড়ার পরেও লেখা পড়ি না।যেখানে খালি ধর্মের নামে কুতসাই রটনা হয়,কিন্তু মানব জাতির জন্য নিধর্মীদের ভূমিকা,মানব কল্যাণের পদ্ধতি কিছুই আলোচনা হয় না।তাই বিশ্বাসীরা সেটার প্রতিবাদ জানাবেই।ধর্ম বিশ্বাস না কর,মানবতাই যদি নাস্তিকদের কাছে বড় হয়,মানবতা নিয়া লেখা দে!সেটাকে আমরা আরো স্বাগত জানাব।আর এসব নিয়া কাঁদা ছোঁড়াছুড়িও বন্ধ হবে।
রেডবুকের ৪ নম্বর পয়েন্টটা এখানে তুলে ধরছিঃ
ভাল থাকিস।
খালি ধর্মের কুৎসা কেন বাকিগুলোরও কুৎসা গাও” বলার একটা অর্থ ধর্মের দিকে ছুঁড়ে দেয়া তীরগুলো প্রতিহত না করে প্রতিপক্ষ তীরন্দাজকে অন্য টার্গেটে তীর ছুঁড়তে বলা-যেটা ওই প্রতিপক্ষের মেনে নেবার সম্ভাবনা শূণ্যের কোঠায়।
তাহলে তীর সেই এক জায়গাতেই ফিরে এল,সরাসরি ধর্মকে কটাক্ষ করা।
রেডবুকটা এডিট মাইরা দেওয়া হউক।
আসলে সমস্যা তৈরি করছি আমরাই। আমার আর তোর মত এই ধরণের খোঁচা মারা মন্তব্যকারীর জন্যেই পরিবেশটা অসহনীয় হয়ে যায় মাঝে মাঝে। আমার আর তোর চেয়ে বেশি নামাজ-রোজা করেন/ ধর্ম পালন করেন এমন অনেকেই সিসিবিতে নিয়মিত। কই তাদেরকে তো দেখিনা এইভাবে রিয়েক্ট করতে। কে কী বললো, লিখলো তাতে তো তাদের বিশ্বাস টলছে না।
অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর আগে নিজেকে বিচার করা উচিত। তোর মন্তব্যে কোট করা দুটি কথা যে কতটা খারাপ হয়েছে তুই বুঝতে পারছিস? মনে হয় না।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
০১. নীতিমালা শুধুমাত্র পোস্টের ক্ষেত্রে নয়, কমেন্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
০২.
আর সিসিবি এরকম কোন ব্লগ নয় যে, "অমুক ভাইয়া কিন্তু মডারেটর...সাবধান...", কেউ কিন্তু মডুগিরি ফলাইতেই আসে না এইখানে।
ইসলামকে কটাক্ষ করার জন্য ডেডিকেটেড সাইট ধর্ম মকারি আছে, মুক্ত মনা দের জন্য সাইট মুক্তমনা আছে। আবার ইসলাম বিষয়ক কিছুর জন্য আইডিফোরাম (সতর্কীকরণ: এইটা জামাতি সাইট) আছে। এই সেনসিটিভ বিষয়গুলো নিয়ে লেখা গুলো আমরা সেই সাইটগুলোতে পোস্ট করতে পারি যার যেখানে ইচ্ছা।
**********************
অফটপিকঃ কামরুল ভাই, আপনার সাথে এইগুলা কাইজ্জা করতে খুব কষ্ট লাগে, বিয়াদবি হইতেছে বিরাট বড়, পার্সোনালি নিয়েন না ভাই। মাফ কইরা দ্যান।
চলেন বিড়ি টাইনা আসি।
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
কথা কইয়া কামরুল ভাইরে শহীদ কইরা ফেলছি।
অনটপিকঃ
কিছু বলার নাই।
--George Bernard Shaw
এইটাই মনে হয় মোটামুটি রিলেভেন্ট এইখানে............বাকিগুলান থাউক না হয়...... ;;; ;;; ;;;
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
আমি তো বানানটা c দিয়েই শিখেছিলাম।
শালার এখন দেখি বানান-টানানও কেমঞ্জানি ডিজুস হইয়া যাইতেছে। 😀
বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।
sceptic/skeptic.............শ এর ডায়লগটা পুরা মনে ছিলো না তাই সার্চ মাইরা মিলাইছিলাম। skeptic এখন নিয়মিতই ব্যবহার হইতেছে দেখি।
ছোট মুখে কিছু বড় কথা বলেছি ভাই,কোন বেয়াদবী হলে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
(ভাইয়া, বেয়াদবি হলে ক্ষমা করে দিয়েন । )
আশা করি বোঝাতে পেরেছি।
আমি আল্লাহ বিল্লাহ করিনা কিন্তু আল্লাহকে বিশ্বাস করি এর মানে এই না আমি গিয়ে জামাত শিব্বির করবো।
আপনি একটা ফুটবল টিম কে সাপোর্ট করেন তার সম্পর্কে অন্য দলের কেউ কিছু বললে আপনার খারাপ লাগবে হোক ওই টিম খারাপ হোক ভাল
ধর্মতো অনেকটা ওইরকম ৪/৫ টা টিমের একটাকে আমরা সাপোর্ট করি।
সেটাকে কেউ খারাপ বললে তো খারাপ লাগবেই।
মনে করেন ব্লগে মজা দেখতে চাই সবাই খুশি আগের মত জোক্স হইতেসে সে রকম
যেমন বাংলা ছবির পোষ্টটা খুব ভাল লাগতেসে সবাই কি মজা করতেসে আবার শওকত ভাই এর মুভি পোষ্ট বা ইকোনোমি নিয়া লেখাও সবাই পড়তেসে
বিডি আর বিদ্রোহ, যুদ্ধাপরাধী নিয়ে সবাই প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কিন্তু সবাই একসাথে
সবাইকে একসাথে দেখতেই ভালো লাগে 🙂
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
সব কিছুই থাকবে কিন্তু যাতে নিজেদের মধ্যে সমস্যা না হয় সেটার কথা বলেছি
বিডিআর এর সময় কি আমরা একসাথে ছিলাম না ?
আমরা কি প্রতিবাদ করিনাই ??
ঠান্ডার সময় যে কাপড় দেয়া হলো সেখানেও আমরা সবাই ছিলাম সবাই একসাথে থাকলে কষ্টের সময় ও ভালো লাগে 🙂
যেমন অনেকে একসাথে ইডি খাইতেও মজা 😀
ভাই আপনার সাথে পরের বার দেখা হলে খাওয়াবো 🙂
একটা কারণ আছে সেটা তখন বলবো 😀
প্রথমত , "সিসিবি ছাড়ার শময় চলে আসছে" এটা আমি বলিনাই। এটা আদীব এর কমেন্ট ছিল। আমি বলছি যে নিজেকে বোকা মনে হয় বলে আগের মত আর আসা হয়না। এইটা সম্পূর্ণ আমার ব্যাক্তিগত একটা মনোভাব। এটা বলা কি এতটাই দোষের হয়ে গেছে যে আপনি আমাকে সিসিবি থেকে আলবিদা হবার পরামর্শ দিচ্ছেন!!!!
সিসিবিতে ম্যালা বিনোদন 😀
"নবীজী তাঁর সময়ের এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে খুব অন্যায় কিছু হয়তো করেননি- এতদুর পর্যন্ত মানতেও আমি রাজি আছি,যেমন রাজি আছি তাঁকে মানব সমাজের ইতিহাসে এক অসাধারন ব্যক্তিত্বের মর্যাদা দিতেও।কিন্তু মুসলিমরা( এনাদের মধ্যে আমার মা-ও অন্তর্ভুক্ত) যখন এসে বলে যে মহানবী(স) হচ্ছেন সর্বকালের সব মানুষের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ অনুকরণীয় আদর্শ-তখন তাদেরকে আমি নিম্নোক্ত দুটো দলের একটিতে ফেলে দেই..."
মাফ করবেন বাইরের মানুষ আপনাদের বিতরকে নাক গলাইতেসি দেখে। কিন্তু ১টা মানুষ হাজারবার ১টা কথা ক্লিয়ার করে বলে দেবার পরও আপ্নারা ব্যপারটাকে পেচাইতেসেন দেখে মাথা গরম না করে থাকা যায়না।
সমকামিতা এই বিংশ শতাব্দি পর্যন্তও খুবই ঘৃণ্য ব্যাপার ছিলো। আগের সমাজের কাছে এটা অত্যন্ত অনৈতিক গর্হিত কাজ হিসেবে বিবেচিত ছিলো(কিছু জনপদ ছাড়া)। কিন্তু বর্তমানে অনেক সমাজ একে স্বাভাবিক হিসেবে নিয়েছে, তো নৈতিকতার সুনির্দিষ্ট মানদন্ড আসলেই কি আছে ? বর্তমানে যে মানদন্ড সমাজবিজ্ঞানীরা স্থির করেছেন তা কি ভবিষ্যতেও একই থাকবে ?
মহানবী (স) এঁর অন্য গুনগুলো পাশ কাটানোর প্রশ্নই ওঠেনা।এ কারণেই তাঁকে মানব ইতিহাসের এক অনন্য চরিত্র বলে মানতেও আমার দ্বিধা নেই।আমার আপত্তি কোন জায়গায় তা সম্ভবত এখানে ত্রয়োদশতম বারের মত বলছিঃ আমার আপত্তি হচ্ছে তাঁকে সর্বকালের সর্বযুগের সব মানুষের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে মেনে নিতে।এর কারণ হিসেবে আমি উল্লেখ করেছি যুগের সীমাবদ্ধতা থেকে তাঁর ঊর্ধ্বে উঠতে না পারাকে।যুগের সীমাবদ্ধতার ঊর্ধে থাকলে তিনি ভবিষ্যত যুগের কথা ভেবে ডজনখানেক বিয়ে করতেননা,৬ বছরের বালিকাকে নিজের স্ত্রী বানানো থেকে বিরত থাকতেন,খাবার পানীয়তে মাছি পড়লে "সেই মাছির এক ডানায় রোগজীবানু আর আরেক ডানায় তার প্রতিকার আছে সুতরাং পানীয়টি পান করতে বাধা নেই"..এরকম হাস্যকর তথ্য দিতেন না।
ভাল থাকবেন।
Narrated Abu Haraira: The Prophet said, “If a house fly falls into the drink of anyone of you, he should dip it (into the drink) because one of its wings has a disease and the other wing has the cure (for that disease).
আপনি যদি ১৯২৮ সালের আগে বাস করতেন,এবং যদি তখন কার যুগের scientist দের অনুসরন করতেন, তখন বিশ্বাস এ করতে পারতেন না যে ব্যাকটেরিয়া ব্যাকটেরিয়া কিল করতে পারে? আপনি কি আজকে মনে করবেন যে ঐ scientist রা ঠিক ছিল? যদি কেউ এমন আইডিয়া দিত তখন তাকে অবশ্যই ইগ্নরান্ট বলতেন? মাছির অন্য ডানায় কি আছে তা নিয়ে ইনাফ রিসার্চ করা হয় নাই।আর এইটা নিয়ে দুই রকমের তথ্য ই আছে।তাই সাইন্স কবে পরম স্ট্যান্ডার্ড এ যাবে এটা বলা ইম্পসিবল।আর scientifically proved অনেক কিছুই আছে। একটা উদাহরন, ইউসুফ এর পিতার অন্ধত্য দুর হয়েছিল তার অনেক আগের পুরান জামা থেকে। আজ তার থেকে cataract এর treatment হচ্ছে। আমি বাংলা লেখায় দুর্বল, তাই অনেক শব্দ ইংরেজিতে লিখলাম।
আপনি এর পর থেকে আপনার খাবার পানিতে মাছি পড়লে সেই পানি নিশ্চিন্তে খেয়ে নিয়েন।এছাড়া ভাতের মধ্যে মাছি পড়লে সেটাও তরকারী হিসেবে চিবিয়ে চুবিয়ে খেয়ে নিতে পারেন- চাই কি মাছি ভর্তাও মনে হয় আপনার জন্য বেশ উপাদেয় হবে।মাছির এক ডানায় জীবানূ থাকলেও আরেক ডানায় তার প্রতিষেধক আছে কিনা,কাটাকুটি হয়ে যাবে খ'ন! 😀
মুহম্মদ উটে চড়ে ঘুড়তেন, সে জন্য আমরা তো কেউ তা অনুকরন করি না। উটের দেশেও নয়। কারন এর চেয়ে ভাল বাহন আমাদের আছে। উনি বলেও যাননি আমাদের উটে চড়েই চলাচল করতে হবে। তার জীবনের হাজারটা অনুকরনিয় কাজ অননুকরনিয়ও হয়ে যাচ্ছেনা এ কারনে এ যুগে। যাই হোক, বিস্তারিত পরে লিখব। ভাল থেকো। আমার এ ছোট কমেন্টে যেহেতু আমি পুরোপুরি লিখিনি, তাই এর প্রত্যুত্তরে এখনি কোনো যুক্তি না সাজানোই ভাল।
এইরকম মারাত্মক ভুল তো কোনো ক্যাডেটের করার কথা না? কাহিনী কি?
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।